তথ্যপ্রযুক্তি খাতের কোম্পানি ই-জেনারেশন পিএলসির ক্যাটাগরি অবনমন করা হয়েছে। কোম্পানিটিকে বিদ্যমান ‘এ’ থেকে ‘বি’ ক্যাটাগরিতে স্থানান্তর করা হয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে গতকাল এ তথ্য জানা গেছে।
তথ্যানুসারে, সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৪-২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ২ দশমিক ২৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ অনুমোদন করায় কোম্পানিটির ক্যাটাগরি অবনমন করা হয়। আলোচ্য হিসাব বছরে ই-জেনারেশনের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৭৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৪৪ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২৩ টাকা ৩৮ পয়সায়।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) ই-জেনারেশনের ইপিএস হয়েছে ১৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই প্রান্তিকে যা ছিল ২০ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৩ টাকা ৫২ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২৩-২৪ হিসাব বছরে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে ই-জেনারেশনের ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৪৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৪৫ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৩ টাকা ৩১ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরের উদ্যোক্তা পরিচালক বাদে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে ই-জেনারেশন। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৪৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৪৩ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২২ টাকা ৫০ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২১-২২ হিসাব বছরের উদ্যোক্তা পরিচালক বাদে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে ই-জেনারেশন। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৪৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৬১ পয়সা। ৩০ জুন ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২১ টাকা ৬৭ পয়সায়।
ই-জেনারেশনের সর্বশেষ সার্ভিল্যান্স রেটিং দীর্ঘমেয়াদে ‘এ প্লাস’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-২’। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং রেটিং প্রকাশের দিন পর্যন্ত অন্যান্য পরিমাণগত ও গুণগত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এ প্রত্যয়ন করেছে ইমার্জিং ক্রেডিট রেটিং লিমিটেড (ইসিআরএল)।
২০২১ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ই-জেনারেশনের অনুমোদিত মূলধন ১০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৭৫ কোটি টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৮১ কোটি ২৪ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৭ কোটি ৫০ লাখ। এর ৩০ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ১৫ দশমিক ৩৭, বিদেশী বিনিয়োগকারী দশমিক ৫৩ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৫৪ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।









