দেশটির প্রকৌশলীরা এমন একটি পর্যটক ডুবোযান বা সাবমার্সিবল তৈরি করছেন, যা সমুদ্রপৃষ্ঠের এক হাজার মিটার (৩ হাজার ২৮০ ফুট) গভীরে ডুব দিতে সক্ষম। আবিষ্কারটি গভীর সমুদ্রে দুঃসাহসিক পর্যটনের এক নতুন দুয়ার খুলে দেবে বলে আশা করা হচ্ছে। খবর সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট।

চীনা গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, চায়না শিপ সায়েন্টিফিক রিসার্চ সেন্টারের প্রকৌশলীরা চলতি বছরের শেষ নাগাদ এ ডুবোযানের একটি প্রটোটাইপ বা প্রাথমিক কাঠামো তৈরির লক্ষ্য নির্ধারণ করেছেন। সব ঠিক থাকলে ২০৩০ সালের মধ্যে এটি বাণিজ্যিকভাবে চালু করা হবে। ডুবোযানটি প্রতি যাত্রায় সর্বোচ্চ চারজন যাত্রী বহন করতে পারবে। তবে গভীর সমুদ্রের প্রচণ্ড পানির চাপ সহ্য করার মতো করে যানটি তৈরি করা প্রকৌশলীদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। এ বিষয়ে চায়না ডেইলি জানিয়েছে, ডুবোযানটির জানালাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ এরই মধ্যে তৈরি করা হয়েছে। উল্লেখ্য, গভীর সমুদ্রের যানের ক্ষেত্রে জানালার নকশা করা অন্যতম কঠিন কাজ হিসেবে বিবেচিত। বর্তমানে চীনে কয়েক ডজন পর্যটক ডুবোযান রয়েছে, তবে সেগুলো মূলত জলাধার বা উপকূলীয় অঞ্চলে মাত্র ২০ মিটার গভীরতায় চলাচলের উপযোগী। এক হাজার মিটার গভীরে যেতে সক্ষম নতুন এ যান সে তুলনায় এক বিশাল অগ্রগতি বলে মনে করছেন অনেকে। ভ্রমণ সংস্থা চায়না হাইলাইটসের সিইও স্টিভেন ঝাও মনে করেন, বিশেষ ধরনের এ পরিবহন ব্যবস্থা নির্দিষ্ট এক শ্রেণীর পর্যটকদের আকর্ষণ করবে। তবে এর বাণিজ্যিক সাফল্যের জন্য মূল্য ও নিরাপত্তা উভয় দিকেই নজর দেয়া জরুরি। সাধারণত এ ধরনের ডাইভের খরচ পানির গভীরতার ওপর ভিত্তি করে জনপ্রতি ১৫০ ডলার থেকে শুরু করে কয়েক হাজার ডলার পর্যন্ত হতে পারে।