বিশ্ববাজারে তামার দাম বেড়েছে। মূলত অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে চীন যে উদ্যোগ নিয়েছে তার ফলে ধাতুর চাহিদা বাড়বে বলে ধারণা করছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে ডলারের মানে উত্থান-পতন ও কভিড-১৯-এর সংক্রমণ বাড়ায় তামার বাজারে তেমন প্রবৃদ্ধি দেখা যায়নি।
লন্ডন মেটাল এক্সচেঞ্জে তিন মাসে তামার মূল্য দশমিক ৩ শতাংশ বেড়ে প্রতি টনের মূল্য ৮ হাজার ৩৯৬ ডলারে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে সাংহাই ফিউচার এক্সচেঞ্জে ফেব্রুয়ারিতে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া তামার মূল্য ১ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে ৯ হাজার ৪৬০ ডলারে উত্তীর্ণ হয়েছে।
অর্থনীতিবিদ ও বিশ্লেষকদের আশা চলতি বছর তামার চাহিদা বাড়ানোর জন্য চীনের আইনপ্রণেতারা আরো বেশি সহায়ক প্রকল্প গ্রহণ করবেন। কভিড-১৯ মহামারীর কারণে দেশটির অর্থনীতি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সেখান থেকে উত্তরণে ১৭ ট্রিলিয়ন ডলারের যে পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে তার অংশ এটি। চীনের আবাসন খাত পুনরুদ্ধারে ধাতুর চাহিদাও বাড়বে।










