২০২২-২৩ বিপণন মৌসুমে আর্জেন্টিনায় আবারো গম উৎপাদন কমার পূর্বাভাস মিলেছে। দেশটির প্রধান দুই গ্রেইন এক্সচেঞ্জ অব্যাহতভাবে শস্যটির উৎপাদন পূর্বাভাস কমাচ্ছে। কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে, দেশটির কৃষি খাত এখনো খরার বিপর্যয় কাটিয়ে উঠতে পারছে না। খবর ওয়ার্ল্ড গ্রেইনস ডটকম।
দক্ষিণ আমেরিকার বৃহৎ গম উৎপাদনকারী ও রফতানিকারক দেশ আর্জেন্টিনা। রোজারিও গ্রেইন এক্সচেঞ্জ বলছে, ২০২২-২৩ বিপণন মৌসুমে দেশটির ১ কোটি ৬০ লাখ টন গম উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে। আগের পূর্বাভাসে ১ কোটি ৬৫ লাখ টন উৎপাদনের কথা বলা হয়েছিল। সে হিসাবে উৎপাদন পাঁচ লাখ টন কমবে।
একই সঙ্গে বুয়েন্স আয়ার্স গ্রেইনস এক্সচেঞ্জও উৎপাদন পূর্বাভাস কমিয়েছে। তাদের প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী, ২০২২-২৩ বিপণন মৌসুমে ১ কোটি ৬৫ লাখ টন গম উৎপাদন হবে। যেখানে আগের পূর্বাভাসে বলা হয়েছিল ১ কোটি ৭৫ লাখ। সে হিসাবে এ মৌসুমে ১০ লাখ টন গম কম উৎপাদন হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগের ফরেন এগ্রিকালচারাল সার্ভিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২২-২৩ বিপণন মৌসুমে আর্জেন্টিনায় গম উৎপাদন হবে ১ কোটি ৭৫ লাখ টন। ২০১৫-১৬ মৌসুমের পর এটিই সর্বনিম্ন উৎপাদন।
এদিকে উৎপাদন কমে যাওয়া ও সম্ভাব্য সরবরাহ সংকট এড়াতে করণীয় নির্ধারণে দেশটির মিল মালিক ও গম রফতানিকারকদের সঙ্গে চলতি সপ্তাহে বৈঠকে বসবে সরকারসংশ্লিষ্টরা।










