বড় পতনের মুখে পড়েছে অস্ট্রেলিয়ার আবাসন বাজার। ২০০৮ সালের পর এবারই প্রথম এ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। মূলত উচ্চ সুদহারের কারণে ক্রেতাদের ব্যয় সক্ষমতা কমেছে, বিনিয়োগকারীরাও বাজার থেকে দূরে সরেছেন। গত বছর ন্যাশনাল ভ্যালু ইনডেক্সের ৫ দশমিক ৩ শতাংশ পতন হয়েছে। ২০১৮ সালের পর এ সূচকে এটিই সবচেয়ে বড় পতন। খবর দ্য ন্যাশনাল নিউজ।

অস্ট্রেলিয়ার রিজার্ভ ব্যাংক গত মে মাস থেকেই সুদের হার বাড়াচ্ছে। সে সময়ই ধারণা করা হয়েছিল যে আরো কয়েক দফায় বাড়বে সুদের হার। ব্যাংকটির কর্মকর্তারা সাধারণত অস্ট্রেলিয়ার আবাসন বাজারের পরিস্থিতি নিয়ে বেশ ইতিবাচক অবস্থানেই ছিলেন। কারণ গত বছরও বাড়ির দাম যথেষ্ট বেশি ছিল। এছাড়া বেকারত্বের হার গত ৫০ বছরে সর্বনিম্নে রয়েছে। ঋণগ্রহীতারাও পরিশোধের বিষয়ে নানা ধরনের সুযোগ-সুবিধা পেয়েছেন।

গত এপ্রিলে সর্বোচ্চে উঠেছিল অস্ট্রেলিয়ার আবাসন বাজার। সে সময় এর আকার দাঁড়ায় ৯ দশমিক ৪ ট্রিলিয়ন অস্ট্রেলিয়ার ডলার। সেখান থেকে ৮ শতাংশ পতন দেখল বাজারটি। অথচ সে সময় মহামারীপূর্ব সময়ের চেয়ে বাণিজ্য বেড়েছিল ২৮ দশমিক ৬ শতাংশ।

কোরলজিকের গবেষণা পরিচালক টিম ললেস বলেন, চলতি বছরের শুরুতে বাড়ির দামে আরো এক দফা পতন দেখা যেতে পারে। দেশের বিভিন্ন স্থানে নিম্নগতির পরও বাড়ির দাম মহামারীপূর্ব সময়ের চেয়ে ভালো রয়েছে। ২০২৩ হবে আবাসন বাজারের জন্য পরীক্ষার বছর। কারণ বন্ধকি হার রেকর্ড পরিমাণ কমেছে, এ ধরনের ঋণগ্রহীতাদের আরো বেশি হারে পরিবর্তিত হতে বাধ্য করা হচ্ছে।