দিনাজপুরের হিলিতে দাম কমতে শুরু করেছে আমদানীকৃত আদা ও পেঁয়াজের। দুদিনের ব্যবধানে প্রতি কেজি আদার দাম ৫০ ও পেঁয়াজের দাম ২ টাকা করে কমেছে। ঈদের ছুটির কারণে স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি বন্ধ থাকলেও ক্রেতা সংকটের কারণে দাম কমেছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

হিলি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতিটি দোকানেই পেঁয়াজ ও আদার পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে। ঈদের আগে চাহিদা ও ক্রেতা থাকলেও বর্তমানে সেটির সংকট দেখা দিয়েছে। ঈদের আগে প্রতি কেজি আদা ৪০০ টাকায় বিক্রি হলেও বর্তমানে তা ৩৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া আমদানীকৃত ভারতীয় পেঁয়াজ আগে ৩২ টাকা বিক্রি হলেও বর্তমানে তা ২ টাকা কমে ৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

হিলি বাজারে পেঁয়াজ ও আদা কিনতে আসা আইয়ুব হোসেন বলেন, ‘‌ঈদের সময় বাড়তি চাহিদার কারণে আদার দাম বেড়ে ৪০০ টাকায় উন্নীত হয়। পেঁয়াজের দাম ৩০ টাকা থেকে বেড়ে ৩২ টাকা হয়ে যায়। এসব পণ্যের দাম বাড়ায় ঈদে আমাদের ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে। তবে বর্তমানে দাম কমায় আমরা খুশি।’

হিলি বাজারের আদা ও পেঁয়াজ বিক্রেতা শাকিল খান বলেন, ‘‌বাজারে দেশী আদার সরবরাহ তেমন নেই বললেই চলে। যার কারণে আমদানীকৃত আদা দিয়েই দেশের চাহিদা মিটছে। কিন্তু ভারতে আদার দাম বাড়তি হওয়ায় এবং বন্দর দিয়ে চাহিদামতো আমদানি না হওয়ায় ঈদের আগে দাম বেড়ে গিয়েছিল। তবে ঈদের পরে সে চিত্র খানিকটা বদলাতে শুরু করেছে। বন্দর দিয়ে আদা আমদানি বন্ধ থাকলেও আগের আমদানীকৃত আদা থাকায় বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ আছে। কিন্তু ক্রেতা সংকট দেখা দেয়ায় আদার দাম কমতে শুরু করেছে। ঈদের ছুটি শেষে বন্দর দিয়ে আদা আমদানি শুরু হলে দাম আরো কমে আসবে। চাহিদার তুলনায় বাজারে আমদানীকৃত পেঁয়াজের ভালো সরবরাহ থাকায় এবং ক্রেতা সংকট দেখা দেয়ায় পেঁয়াজের দামও কমতে শুরু করেছে। ক্রেতারা ঈদের আগেই যথেষ্ট পরিমাণ পেঁয়াজ কিনে নিয়েছে। যার কারণে ঈদের পরে বাজারে ক্রেতা সংকট দেখা দিয়েছে।