একই সঙ্গে প্রকল্পটির মেয়াদ দীর্ঘমেয়াদি করা ও টেকসই বাস্তবায়ন নিশ্চিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও ব্র্যাক ব্যাংক পিএলসির যৌথ উদ্যোগের ওপর জোর দিয়েছেন তারা। বৃহস্পতিবার যশোরের ব্র্যাক লার্নিং সেন্টারে ‘ইমপ্যাক্ট অ্যান্ড সাসটেইনেবিলিটি অ্যাসেসমেন্ট অন সাপোর্টিং পোস্ট কভিড-১৯ স্মল স্কেল এমপ্লয়মেন্ট ক্রিয়েশন প্রজেক্ট’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় এ কথা উঠে আসে। বাংলাদেশ ব্যাংকের এসপিসিএসএসইসিপির প্রভাব নিয়ে ব্র্যাক ব্যাংক এ সভার আয়োজন করে। এতে ১১ নারীসহ মোট ৩১ জন উদ্যোক্তা অংশ নেন। ব্র্যাক ব্যাংকের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও প্রকল্প পরিচালক মনোজ কুমার হাওলাদার। বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক অসীম কুমার চন্দ, যুগ্ম পরিচালক ও প্রকল্প ব্যবস্থাপক মো. সাগর সরকার এবং ব্র্যাক ব্যাংকের হেড অব এসএমই বিজনেস সাপোর্ট কাজী দিলরুবা আক্তার।

ব্র্যাক ব্যাংকের কটেজ, মাইক্রো ও স্মল বিজনেসের যশোর অঞ্চলের রিজিওনাল হেড মো. আবু সাঈদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সূচনা বক্তব্য দেন ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্কের সাউথ বেঙ্গল রিজিয়ন ক্লাস্টার ম্যানেজার তাহিদুল ইসলাম। এছাড়া কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, প্রকল্পের উপকারভোগী উদ্যোক্তা, ব্র্যাক ব্যাংকের এসএমই ডিভিশনের রেগুলেটরি রিলেশন কর্মকর্তা প্রশান্ত কুমার সাহাসহ যশোর অঞ্চলের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় উদ্যোক্তারা প্রকল্প থেকে পাওয়া সহায়তা, ব্যবসায়িক অগ্রগতি এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে এর প্রভাব সম্পর্কে নিজেদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। এ সময় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মনোজ কুমার হাওলাদার উদ্যোক্তাদের সঙ্গে সরাসরি আলোচনায় অংশ নেন। পরে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিনিধি দল প্রকল্পের আওতাভুক্ত উপকারভোগী উদ্যোক্তাদের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করে।

এ উদ্যোগ সম্পর্কে ব্র্যাক ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও হেড অব এসএমই ব্যাংকিং সৈয়দ আব্দুল মোমেন বলেন, ‘আমরা শুধু প্রতিষ্ঠিত উদ্যোক্তাদের অর্থায়নের মধ্যে নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখতে চাই না। নতুন উদ্যোক্তা তৈরির মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে আরো গতিশীল করতে চাই।’ বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে এ যৌথ উদ্যোগ ব্র্যাক ব্যাংকের দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনার অংশ বলেও মন্তব্য করেন তিনি।