পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সিমটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ক্যাটাগরি ‘বি’ থেকে ‘এ’তে উন্নীত হয়েছে। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১০ শতাংশ ও উদ্যোক্তা পরিচালকদের জন্য ৬ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেয়ায় ক্যাটাগরি পরিবর্তন হয়। ১১ ফেব্রুয়ারি থেকে এটি কার্যকর হবে। গতকাল ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
চলতি ২০২৩-২৪ হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) সিমটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৪৫ পয়সা। গত ৩১ ডিসেম্বর শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২১ টাকা ৯৭ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৮২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৯৭ পয়সা। গত ৩০ জুন শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২২ টাকা ৪১ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২১-২২ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ৮ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে সিমটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৯৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৯২ পয়সা। ৩০ জুন ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২২ টাকা ৩৯ পয়সায়, আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ২১ টাকা ৮২ পয়সা।
সমাপ্ত ২০২০-২১ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের ৪ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল সিমটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ। ২০১৯-২০ হিসাব বছরের জন্য উদ্যোক্তা পরিচালক বাদে অন্য শেয়ারহোল্ডারদের ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল কোম্পানিটি। ২০১৮-১৯ হিসাব বছরে উদ্যোক্তা পরিচালক বাদে সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের ৯ শতাংশ নগদ ও সব ধরনের শেয়ারহোল্ডারদের ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছিল সিমটেক্স। আগের হিসাব বছরে ৫ শতাংশ নগদ ও ১৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ পেয়েছিলেন কোম্পানিটির শেয়ারহোল্ডাররা।
২০১৫ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিটির অনুমোদিত মূলধন ১০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৭৯ কোটি ৫৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৬৮ কোটি ৭৮ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৭ কোটি ৯৫ লাখ ৯৫ হাজার ৩৮১। এর মধ্যে ৩১ দশমিক ৬৫ শতাংশ শেয়ার উদ্যোক্তা পরিচালক, ৮ দশমিক ৩৬ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ও বাকি ৫৯ দশমিক ৯৯ শতাংশ শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে।










