আগস্টের শুরুতেই লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় তিন গুণ বেশি রয়েছে ভারতের চালের মজুদ। বিশ্বব্যাপী চালের দ্বিতীয় বৃহৎ উৎপাদক দেশটির দুটি সরকারি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। খবর বিজনেস রেকর্ডার।

এখন সেখানে নতুন মৌসুমের শস্য উঠছে, আগামী অক্টোবরেই তা বাজারে আসা শুরু করবে। ফলে উদ্বৃত্ত যে চাল সংগ্রহ হবে, তার কারণে নিউ দিল্লি চাল রফতানি নিষেধাজ্ঞা তুলে নেবে বলেও প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশ্বের শীর্ষ চাল রফতানিকারক দেশটি গত মাসে হঠাৎ বাসমতী ছাড়া অন্যান্য চাল রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করে। এতে দাম বেড়ে কয়েক বছরের সর্বোচ্চে ওঠে।

ভারতের চালের পাশাপাশি ধানের মজুদও রয়েছে অনেক। ১ আগস্ট দেশটির মোট মজুদ দাঁড়িয়েছে ৩ কোটি ৭৬ লাখ টনে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে সরকারি ওই সূত্রটি বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে চাল নিয়ে তাদের অবস্থান বেশ ভালো বলে জানায়।

সূত্রটি আরো জানায়, চাল বিপণনের ২০২২-২৩ অর্থবছরের একেবারে শেষপ্রান্তে উপনীত। এ সময় পর্যাপ্তের তুলনায়ও বেশি চালের মজুদ রয়েছে। তারপর আরো একটি শস্য ঘরে আসছে। ১ আগস্টের তথ্য অনুযায়ী, দেশে ২ কোটি ৪৬ লাখ টন চাল ও ১ কোটি ৩০ লাখ টন ধান মজুদ আছে।

স্থানীয় সরকারের নিয়ম অনুযায়ী সরকার পরিচালিত গুদামঘরগুলোয় অবশ্যই ১ কোটি ৩৫ লাখ টন চাল মজুদ থাকতে হয়, সেই সঙ্গে গত ১ জুলাই শুরু হওয়া প্রান্তিকে স্ট্র্যাটেজিক রিজার্ভ থাকতে হয় ২০ লাখ টন।