ইউরোপে প্রাকৃতিক গ্যাসের চাহিদা গত বছর ৪ শতাংশ সংকুচিত হয়েছিল। সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে চলতি বছরে জ্বালানি পণ্যটির চাহিদা ২ শতাংশ প্রবৃদ্ধির প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। নরওয়েভিত্তিক জ্বালানি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ইকুইনরের এক পূর্বাভাসে এমনটা বলা হয়েছে। খবর রয়টার্স
গত বছর ইউরোপের দেশগুলোয় প্রাকৃতিক গ্যাসের চাহিদা কিছুটা কমেছিল। কারণ অপেক্ষকৃত কম ঠাণ্ডা আবহাওয়া ও কভিড-১৯ মহামারীর কারণে লকডাউনের ফলে মহাদেশটিতে প্রাকৃতিক গ্যাসের চাহিদা হ্রাস পায়।
রাশিয়ার গ্যাজপ্রমের পরই ইউরোপের সর্বোচ্চ গ্যাস সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ইকুইনর। প্রতিষ্ঠানটির প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, তাদের সাম্প্রতিক ওই প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) ইউরোপের বিভিন্ন দেশে লকডাউন চলাকালে গ্যাসের সার্বিক চাহিদার ওপর প্রভাব পড়ে। কার্যক্রম সীমিত হয়ে যাওয়ায় গ্যাসের চাহিদাও কমে যায়।
সম্প্রতি ইকুইনরের একজন মুখপাত্র বলেন, ২০২১ সালের সর্বশেষ গ্যাসের চাহিদা শীত মৌসুমে অনেকটাই বাড়বে বলে মনে করছি। ক্রমান্বয়ে ২০২১ সালের প্রাকৃতিক গ্যাসের চাহিদা পুনরুদ্ধার করতে চাচ্ছি আমরা। এর মাধ্যমে মূলত আমরা আমাদের অর্থনীতির চাকাকে সচল রাখতে চাচ্ছি। তবে ২০২২ সালের আগে কভিড-পূর্ব অবস্থায় আমরা ফিরে যেতে পারছি না।










