বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) প্রত্যাশার চেয়েও বেশি মুনাফার দেখা পেয়েছে জনসন অ্যান্ড জনসন (জেঅ্যান্ডজে)। ক্যান্সারের ওষুধ ডারজালেক্সের শক্তিশালী চাহিদার কারণে মুনাফা বেড়েছে মার্কিন ফার্মাসিউটিক্যাল প্রতিষ্ঠানটির। তবে আয় বাড়লেও প্রতিষ্ঠানটি মূল্যস্ফীতির চাপ ও শক্তিশালী ডলারের কারণে সৃষ্ট চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় কিছু কর্মী ছাঁটাইয়ের পরিকল্পনা করছে। খবর রয়টার্স।

জেঅ্যান্ডজের প্রধান অর্থ কর্মকর্তা জোসেফ ওলক বলেন, মার্কিন স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানটি ব্যবসায়ের আকারের দিকে মনোযোগ দিয়েছে। বিশেষ করে তিনটি থেকে দুই ভাগে বিভক্তের ব্যবসায় চলে যাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। আগামী বছরের শেষ দিকে প্রতিষ্ঠানটির এ বিভক্তের সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে।

জেঅ্যান্ডজে জানিয়েছে, ব্যবসার ওপর মূল্যস্ফীতির প্রভাব এবং অন্য মুদ্রার বিপরীতে ডলারের বিনিময় হার বৃদ্ধির মতো চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। যদিও বেশির ভাগ শিল্পের তুলনায় স্বাস্থ্যসেবা আরো স্থিতিস্থাপক।

একক ডোজের কভিড টিকা নিয়ে আসা প্রতিষ্ঠানটি আশা করছে, আগামী বছর মূল্যস্ফীতির চাপ কিছুটা কমবে। কিন্তু সংস্থাটি শঙ্কাও প্রকাশ করে যে, চলতি বছরের বিপুল মজুদ এবং উচ্চ ব্যয় ২০২৩ সালের মুনাফায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

জুলাই-সেপ্টেম্বর সময়ে জেঅ্যান্ডজের মোট আয় ২ হাজার ৩৭৯ কোটি ডলারে উন্নীত হয়েছে। এ আয়ের পরিমাণ এক বছর আগের তুলনায় ১ দশমিক ৯ শতাংশ বেশি। যেখানে বিশ্লেষকরা ২ হাজার ৩৩৪ কোটি ডলার আয়ের পূর্বাভাস দিয়েছিলেন। আইটেম পণ্যগুলো বাদ দিয়ে জেঅ্যান্ডজের শেয়ারপ্রতি মুনাফা ২ ডলার ৫৫ সেন্টে দাঁড়িয়েছে। ওয়াল স্ট্রিটের বিশ্লেষকরা মাত্র ৮ সেন্টের পূর্বাভাস দিয়েছিলেন।

এ সময়ে প্রতিষ্ঠানটির ক্যান্সারের ওষুধ ডারজালেক্সের বিক্রি প্রায় ৩০ শতাংশ বেড়ে ২০৫ কোটি ডলারে উন্নীত হয়েছে। সংস্থাটির মেডিকেল ডিভাইসের বিক্রি ২ দশমিক ১ শতাংশ বেড়ে ৬৭৮ কোটি ডলারে পৌঁছেছে। কন্ট্যাক্ট লেন্স ও ক্ষত বন্ধের পণ্যগুলোর উচ্চ চাহিদার কারণে এ বিভাগের বিক্রি বেড়েছে।