এবারো ‘জাতীয় এসএমই উদ্যোক্তা পুরস্কার ২০২৬’-এর জন্য আবেদন আহ্বান করা হয়েছে। অনলাইনে আবেদনের শেষ সময় ৩১ আগস্ট ২০২৬।

এবার আট ক্যাটাগরিতে পুরস্কার দেয়া হবে—বর্ষসেরা মাইক্রো উদ্যোক্তা (পুরুষ ও নারী), বর্ষসেরা ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা (পুরুষ ও নারী), বর্ষসেরা মাঝারি উদ্যোক্তা (পুরুষ ও নারী), বর্ষসেরা স্টার্টআপ এবং গ্রিন এসএমই বিজনেস।

উৎপাদন ও সেবামূলক ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত বাংলাদেশের নাগরিক মাইক্রো, ক্ষুদ্র বা মাঝারি উদ্যোক্তারা আবেদন করতে পারবেন। ট্রেডিং ও আমদানি ব্যবসার উদ্যোক্তা, কুটির ও বৃহৎ শিল্পের উদ্যোক্তারা এ পুরস্কারের জন্য বিবেচিত হবেন না। স্টার্টআপ ছাড়া অন্যান্য ক্যাটাগরিতে ন্যূনতম পাঁচ বছরের ব্যবসায়িক অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। ঋণখেলাপি ও করখেলাপিরা আবেদন করতে পারবেন না।

সৃজনশীল, অপ্রচলিত, রফতানিমুখী, পরিবেশবান্ধব ও বেশি কর্মসংস্থান সৃষ্টিকারী উদ্যোগকে অগ্রাধিকার দেয়া হবে। প্রতিষ্ঠান নয়, উদ্যোক্তা ব্যক্তিকে পুরস্কারের জন্য বিবেচনা করা হবে। আবেদনপত্র এসএমই ফাউন্ডেশনের ওয়েবসাইট ও ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে পাওয়া যাবে। আবেদন অনলাইন, ই-মেইল কিংবা ডাক/কুরিয়ারের মাধ্যমে করা যাবে। আবেদনের সঙ্গে ছবি, ট্রেড লাইসেন্স, টিআইএন, ভ্যাট সনদ, জাতীয় পরিচয়পত্রসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে হবে।

আবেদন যাচাই-বাছাইয়ের পর স্বাধীন জুরি বোর্ড সরজমিনে পরিদর্শন, সাক্ষাৎকার ও সার্বিক পর্যালোচনার মাধ্যমে বিজয়ী নির্বাচন করবে। নভেম্বরে জাতীয় এসএমই পণ্য মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের পুরস্কার দেয়া হবে।

প্রসঙ্গত, প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এসএমই উদ্যোক্তাদের অবদান ও অংশগ্রহণকে সার্বজনীনভাবে স্বীকৃতি প্রদান এবং তাদের উৎসাহ প্রদানে নারী ও পুরুষ—উদ্যোক্তা ক্যাটাগরিতে জাতীয় এসএমই উদ্যোক্তা পুরস্কার প্রদান করছে এসএমই ফাউন্ডেশন। এখন পর্যন্ত ৬৩ জন উদ্যোক্তাকে পুরস্কার প্রদান করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ৩৫ জন নারী, ২৭ জন পুরুষ এবং একজন তৃতীয় লিঙ্গের উদ্যোক্তা।