সিএমএ পেশায় জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান এবং বিশ্বব্যাংকের অল্টারনেট এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খানকে সম্মাননা দিয়েছে ইনস্টিটিউট অব কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ (আইসিএমএবি)। অনুষ্ঠানে তাদের হাতে সম্মানসূচক স্যাশ, স্মারক ও উপহার তুলে দেয়া হয়।

একই অনুষ্ঠানে ‘আর্থিক অন্তর্ভুক্তির জন্য একটি ক্যাশলেস ইকোসিস্টেম’ শীর্ষক সিপিডি সেশনে বাংলা কিউআর, মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস (এমএফএস) এবং আন্তঃসংযোগযোগ্য ডিজিটাল পেমেন্ট অবকাঠামোর মাধ্যমে দেশের প্রত্যন্ত ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীকে আনুষ্ঠানিক আর্থিক ব্যবস্থার আওতায় আনার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়। বক্তারা বলেন, ক্যাশলেস অর্থনীতি গড়ে তুলতে ডিজিটাল সাক্ষরতা, সাইবার নিরাপত্তা, সেবার সাশ্রয়ী মূল্য ও গ্রাহকের আস্থা নিশ্চিত করা জরুরি।

রাজধানীর নীলক্ষেতে আইসিএমএবি রুহুল কুদ্দুস অডিটোরিয়ামে গত ৩ সেপ্টেম্বর ‘সিএমএ পেশার পতাকাবাহকদের সম্মাননা’ শীর্ষক বিশেষ অধিবেশন ও সিপিডি সেশনটি অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আইসিএমএবির প্রেসিডেন্ট মো. কাউসার আলম। স্বাগত বক্তব্য দেন ভাইস-প্রেসিডেন্ট এস এম জহির উদ্দিন হায়দার। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন সেক্রেটারি মনজুর মো. সাইফুল আজম।

সিপিডি সেশনে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এনআরবিসি ব্যাংক পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (এমডি ও সিইও) ড. মো. তৌহিদুল আলম খান।

মূল প্রবন্ধে তিনি বলেন, বাংলা কিউআর, মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস এবং আন্তঃসংযোগযোগ্য ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থা আর্থিক অন্তর্ভুক্তি সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এসব ডিজিটাল ব্যবস্থা অর্থনীতিতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বাড়ানোর পাশাপাশি ব্যাংকিং ও আনুষ্ঠানিক আর্থিক ব্যবস্থার বাইরে থাকা জনগোষ্ঠীকে আর্থিক সেবার আওতায় আনতে সহায়ক হবে।

সেশনে আলোচক হিসেবে অংশ নেন বেসিক ব্যাংক পিএলসির উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) সুবাস চন্দ্র দাস এবং শান্তা অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট লিমিটেডের ভাইস চেয়ারম্যান আরিফ খান।

আইসিএমএবির সম্মানিত দুই পতাকাবাহক মো. আবদুর রহমান খান ও মো. মোস্তাকুর রহমান তাদের অভিজ্ঞতা ও মতামত তুলে ধরেন। তারা বলেন, বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকায় ক্যাশলেস অর্থনীতির প্রসারে ডিজিটাল সাক্ষরতা বৃদ্ধি, সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, সেবার ব্যয় সাশ্রয়ী রাখা এবং গ্রাহকের আস্থা অর্জন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

অনুষ্ঠানে আইসিএমএবির সাবেক প্রেসিডেন্ট, কাউন্সিল সদস্য, ফেলো ও অ্যাসোসিয়েট সদস্য এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।— সংবাদ বিজ্ঞপ্তি