ব্ল্যাক পড ও সোয়ৌলন শুট কোকো গাছের প্রধান দুটি রোগের নাম। এ দুই রোগ এখন শীর্ষ কোকো উৎপাদক দেশ আইভরি কোস্টের জন্য দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ রোগের ফলে এরই মধ্যে দেশটিতে কোকোর উৎপাদন উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমেছে। আর চলতি মৌসুমে উৎপাদন আরো কমে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন উৎপাদক ও খাতসংশ্লিষ্টরা। খবর রয়টার্স।
প্রতি বছর অক্টোবর থেকে আফ্রিকার দেশটিতে কোকো উৎপাদনের প্রধান মৌসুম শুরু হয়। গত মৌসুমে অর্থাৎ ২০১৮-১৯ মৌসুমে দেশটিতে ২ কোটি ২০ লাখ টন কোকো উৎপাদন হয়েছিল। কিন্তু কোকো বাগানে রোগ ছড়িয়ে পড়ার কারণে ২০১৯-২০ মৌসুমে এবার উৎপাদন আগের বছরের তুলনায় ৫ শতাংশ কমতে পারে। এর আগে দেশটিতে গত বছরের সমান কোকো উৎপাদনের প্রাক্কলন করা হয়েছিল।
দালোয়া হলো আইভরি কোস্টের অন্যতম কোকো উৎপাদন এলাকা। এখানকার একজন ক্রেতা দামিদ কেইতা জানান, মধ্য অক্টোবরে তারা গত মৌসুমের মজুদ খালি করেছেন। কিন্তু এখন তারা দেখছেন, যে পরিমাণ খালি করা হয়েছিল, চাহিদা অনুযায়ী সে পরিমাণ উৎপাদন হচ্ছে না। অর্থাৎ প্রত্যাশা অনুযায়ী এবার আইভরি কোস্টে কোকো উৎপাদন না হওয়ার আশঙ্কা দেখছেন তারা।
তথ্য অনুযায়ী, গত বছর কেইতার প্রতিষ্ঠান এই সময়ের মধ্যে ৫০ ট্রাক (প্রতি ট্রাকে ৪০ টন) কোকো সরবরাহ করে। যেখানে চলতি বছরের একই সময়ে সরবরাহ করা হয়েছে ৪১ ট্রাক। দেশটির সান পেদ্রো এবং আবিদজানের বন্দর দিয়ে এসব কোকো রফতানি হয়েছে।
কেইতা বলেন, গত বছরের তুলনায় এ বছর রফতানি বেশি হওয়ার প্রত্যাশা ছিল আমাদের। কিন্তু রফতানি করতে গিয়ে দেখা যায়, এবার পর্যাপ্ত পরিমাণ কোকোর সরবরাহ নেই। কারণ ব্ল্যাক পড এবং সোয়ৌলন প্রাদুর্ভাবের ফলে বেশকিছু কৃষকের আবাদ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
কয়েক বছর আগে আইভরি কোস্টের দক্ষিণ ও পশ্চিমাঞ্চলীয় অঞ্চলে রোগ দুটির প্রাদুর্ভাব দেখা যায়। এর মধ্যে ব্ল্যাক পড মূলত ভারি বৃষ্টিপাতের কারণে সৃষ্ট কোকো গাছের একটি রোগ, যা কোকোর উৎপাদন ব্যহত করে। আর সোয়ৌলন শুট হলো একটি ভাইরাসজনিত রোগ, যা আবাদের কয়েক বছরের মধ্যে গাছ মেরে ফেলে।
এদিকে উৎপাদন কমে যাওয়ার প্রভাব পড়েছে কৃষকদের খামার থেকে শুরু করে গুদামজাতকরণে। ডিসেম্বরে কোকোর সংগ্রহের ভরা মৌসুম ধরা হলেও এবার দেশটিতে কোকোর ফল সংগ্রহ তুলনামূলক কম হয়েছে।
তবে রোগের প্রাদুর্ভাবের পাশাপাশি দেশটির কয়েকটি এলাকায় এ বছর









