চিনি উৎপাদনে অন্যতম দুই দেশ ভারত ও থাইল্যান্ড। শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে দেশ দুটিতে এ বছর ভোগ্যপণ্যটির উৎপাদন কমে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এমন আশঙ্কায় চলতি সপ্তাহে আইসিই ফিউচারস এক্সচেঞ্জে সাদা চিনির দাম বেড়ে ১২ বছরের সর্বোচ্চে পৌঁছেছে। খবর রয়টার্স।

এ বছর ভারতে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক নিচে নামবে। আট বছরের মধ্যে সবচেয়ে কম বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা করছেন আবহাওয়াবিদরা। এর ফলে আসন্ন অক্টোবরে শুরু হতে যাওয়া মৌসুমে দেশটির মিলগুলোকে চিনি রফতানি বন্ধ রাখার নির্দেশনা দিতে যাচ্ছে সরকার। অন্যদিকে শীর্ষ চিনি রফতানিকারক আরেক দেশ থাইল্যান্ডেও শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে আখ চাষ ও চিনি উৎপাদন কমেছে।

বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা জানিয়েছে, এল নিনোর কারণেই শুষ্ক আবহাওয়া দেখা দিয়েছে, যা ২০২৩ সালের দ্বিতীয়ার্ধ পর্যন্ত টিকে থাকার ৯০ শতাংশ সম্ভাবনা রয়েছে।

আবারো এল নিনো ফিরে আসায় কৃষিপণ্যের উৎপাদন নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এটি চিনিসহ বেশকিছু পণ্যের উৎপাদন ব্যাহত করতে পারে।

অক্টোবরে আইসিইতে সাদা চিনির ভবিষ্যৎ সরবরাহ মূল্য ১ দশমিক ৭৫ শতাংশ বেড়ে প্রতি টন ৭৩৭ ডলার ৬০ সেন্টে পৌঁছেছে, যা ১২ বছরের সর্বোচ্চ।

অন্যদিকে অপরিশোধিত চিনির মূল্যও বেড়েছে। অক্টোবরে এটির ভবিষ্যৎ সরবরাহ মূল্য প্রতি পাউন্ড ১ দশমিক ৪৫ শতাংশ বেড়ে ২৫ ডলার ৮২ সেন্ট হয়েছে।