মহামারীতে বিপর্যস্ত হয়ে গত বছর একীভবন আলোচনা চালিয়েছিল এক্সনমবিল ও শেভরনের শীর্ষ নির্বাহীরা। গত রোববার ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। খবর এএফপি।
করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে তেল ও গ্যাসের চাহিদা কমায় একীভবনের আলোচনা চালিয়েছেন শেভরন সিইও মাইক বার্থ ও এক্সনমবিল সিইও ড্যারেন উডস। বিষয় সম্পর্কে অবগত কয়েকটি সূত্রের বরাতে মার্কিন সংবাদমাধ্যমটি জানায়, উভয় পক্ষের মধ্যে প্রাথমিক আলোচনা সম্পন্ন হলেও বর্তমানে তা স্থগিত রয়েছে। শিগগিরই ফের আলোচনা শুরু হতে পারে।
ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল বলছে, দুই কোম্পানির সম্মিলিত বাজারমূল্য ৩৫ হাজার কোটি ডলারের বেশি। এর মধ্যে এক্সনমবিলের বাজারমূল্য ১৯ হাজার কোটি ডলার। উভয় জ্বালানি জায়ান্ট একীভূত হলে বাজার মূলধনের দিক থেকে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম কোম্পানিতে পরিণত হতে পারে এ জোট। মহামারীর আগে তাদের প্রতিদিন তেল ও গ্যাস উত্তোলন হতো ৭০ লাখ ব্যারেল। দৈনিক উত্তোলনের দিক থেকে কেবল সৌদি আরামকো তাদের থেকে এগিয়ে রয়েছে।
বাজারে একচেটিয়া অবস্থা সৃষ্টির কারণে এ ধরনের একীভবন অবশ্য বিভিন্ন তদারকি সংস্থার জবাবদিহিতার মুখোমুখি হয়। তবে এ খাতের বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অতিরিক্ত ব্যয় কমানো এবং মহামারী থেকে সৃষ্ট শ্লথগতি থেকে ঘুরে দাঁড়াতে এ ধরনের একীভবন প্রয়োজনীয়।
মহামারীর শুরুতে অপরিশোধিত তেলের দামে পতন এবং বছরজুড়ে চাহিদা কম থাকায় লোকসান গুনেছে কোম্পানিগুলো। গত শুক্রবার শেভরন জানায়, ২০২০ সালে তাদের ৫৫০ কোটি ডলার নিট লোকসান গুনতে হয়েছে।










