গতকাল এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান সই করা আদেশে এসব তথ্য জানা গেছে।

এনবিআর আদেশ সূত্রে জানা গেছে, শিহাবুল ইসলাম কর্মরত থাকাকালে ২০২৫ সালের ২৪ জুন রাজস্ব ভবনের প্রবেশপথে অবস্থান করে এনবিআরের জারি করা বদলির আদেশ আইনসংগত কারণ ছাড়াই ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সামনে প্রকাশ্যে ছিঁড়ে ফেলেন। ওই আচরণকে ঔদ্ধত্যপূর্ণ এবং চাকরি শৃঙ্খলার পরিপন্থী হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী আচরণ বিধিমালা, ১৯৭৯-এর ৩০এ বিধি এবং সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর ৩(খ) বিধি অনুযায়ী ‘অসদাচরণ’-এর অভিযোগে বিভাগীয় মামলা রুজু করা হয়। অভিযুক্ত কর্মকর্তার জবাব দাখিল ও ব্যক্তিগত শুনানির আবেদন পর্যালোচনা শেষে বেতন গ্রেড পাঁচ ধাপ অবনমিত করার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়। একই সঙ্গে তার বরখাস্তের আদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে আদেশে।

প্রসঙ্গত, ২০২৫ সালের ১৫ জুলাই এক আদেশে এনবিআরের কর বিভাগের ওই কর্মকর্তাসহ কর বিভাগের ঊর্ধ্বতন আট কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছিল।