বিশ্ববাজারে তীব্র হচ্ছে টিনের সরবরাহ সংকট। ফলে বছরের প্রথম ছয় মাসে ধাতুটির দাম ছিল ঊর্ধ্বমুখী। জুলাইয়ের শেষ দিকে দাম ১২ দশমিক ৫ শতাংশ কমলেও আগামী মাসগুলোয় ঊর্ধ্বমুখী থাকবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। খবর দ্য হিন্দু বিজনেস লাইন।
বর্তমানে তিন সরবরাহ চুক্তিতে টিনের মূল্য দাঁড়িয়েছে টনপ্রতি ২৫ হাজার ৪৭৫ ডলারে, যা তিন মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন। অন্যদিকে স্পট মার্কেটে ধাতুটি ২৫ হাজার ডলারের কমে লেনদেন হচ্ছে।
ইন্টারন্যাশনাল টিন রিসার্চ অ্যাসোসিয়েশনের মার্কেট ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড কমিউনিকেশনস বিভাগের জেরেমি পিয়ার্স বলেন, ‘টিনের দাম বেড়ে টনপ্রতি ২৯ হাজার ডলারে উঠে এসেছিল। জুলাইয়ের শেষে তা লক্ষ্যণীয় মাত্রায় কমে যায়। মূলত চীনে দুর্বল অর্থনৈতিক পরিস্থিতির কারণে ধাতুটির চাহিদা কমে যাওয়ায় বাজারদর নিম্নমুখী হয়ে পড়ে।’
ফিচ সলিউশনের গবেষণা সংস্থা বিএমআই জানায়, নীতিনির্ধারণী কিছু পরিবর্তনের কারণে বিশ্ববাজারে টিনের সরবরাহ সংকট মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। এতে করে দাম বাড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তবে নতুন করে ডলারের বিনিময় মূল্য শক্তিশালী হয়ে ওঠায় মূল্যবৃদ্ধির মাত্রা কিছুটা সীমিত থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিএমআই চলতি বছরের জন্য টিনের গড় মূল্য পূর্বাভাস ২৫ হাজার ডলার বজায় রেখেছে। বছরের আগামী মাসগুলোয় দাম বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ধাতুটির ব্যবহার বাড়ার গতি থাকবে শ্লথ। এক বছরের ব্যবধানে এর ব্যবহার মাত্র দশমিক ৩ শতাংশ বাড়তে পারে। গত বছর ধাতুটির ব্যবহার বাড়ার হার ছিল দশমিক ৫ শতাংশ।
এদিকে বিশ্বজুড়ে টিনের মজুদ বাড়ছে বলেও জানিয়েছে বিএমআই। মূলত গত বছরের জুন থেকেই মজুদ ঊর্ধ্বমুখী। বিষয়টি দাম বাড়ার সম্ভাবনাকে কিছুটা ক্ষীণ করতে পারে। আগামী বছর বাজারে টিনের উদ্বৃত্ত কমে আসতে পারে।










