সেকেন্ড-হ্যান্ড বা পুরনো জুতার অবৈধ আমদানির বিরুদ্ধে অভিযানে নামছে ইন্দোনেশিয়া। এ লক্ষ্যে দেশটির বন্দরগুলোতে কঠোর নজরদারি জোরদার করবে দেশটির সরকার। সোমবার দেশটির শিল্প মন্ত্রণালয় এসব তথ্য জানিয়েছে। এর আগে রয়টার্সের একটি প্রতিবেদনে জানানো হয়েছিল, সিঙ্গাপুরের একটি পুনর্ব্যবহারযোগ্য প্রকল্পে দান করা জুতাগুলো ইন্দোনেশিয়ায় পাঠানো হয়েছে।

গত ২৫ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত রয়টার্সের একটি ছয় মাসের তদন্তে দেখা গেছে, ইউএস পেট্রোকেমিক্যাল জায়ান্ট ডাও ও সিঙ্গাপুর সরকার দ্বারা পরিচালিত একটি পুনর্ব্যবহারযোগ্য প্রকল্পে বার্তা সংস্থাটির দান করা ১০ জোড়া জুতা ইন্দোনেশিয়ায় পুনরায় বিক্রয়ের জন্য রফতানি করা হয়েছিল।

রয়টার্সের সাংবাদিকরা আগেই জুতার ভেতরে লোকেশন ট্র্যাকার লুকিয়ে রেখেছিলেন। পরে ট্র্যাকার ব্যবহার করে ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তা ও সিঙ্গাপুর থেকে ১৯ কিলোমিটার দক্ষিণে বাটাম দ্বীপ থেকে ওই জুতাগুলো উদ্ধার করা হয়। 

২০১৫ সালে স্বাস্থ্যবিধি ও সেই সঙ্গে স্থানীয় টেক্সটাইল শিল্প রক্ষা করার জন্য সেকেন্ড হ্যান্ড পোশাক ও জুতা আমদানি নিষিদ্ধ করেছিল ইন্দোনেশিয়া সরকার। সম্প্রতি রয়টার্সের প্রতিবেদন নজরে এলে দেশটি সেকেন্ড হ্যান্ড পণ্যের চালান আটকাতে বন্দরে তল্লাশি বৃদ্ধিতে তৎপর হয়েছে। 

ইন্দোনেশিয়ার শিল্পমন্ত্রী আগুস গুমিওয়াং কার্তাসস্মিতা এক বিবৃতিতে বলেন, ‘‌এ ঘটনায় বোঝা যায়, জুতাগুলোর অবৈধ আমদানিতে একটি সংগঠিত চক্র কাজ করছে এবং সামাজিক প্রকল্পগুলোর অপব্যবহার করছে। এই আমদানিপ্রবণতা বন্ধ করতে হবে। কারণ দেশটির জুতা শিল্পের জন্য এটি খারাপ প্রভাব ফেলবে।’