রাজধানীতে শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী বস্ত্র প্রদর্শনী ‘হুরাইন ফেব্রিক
উইক’। এবারের উইকে ১৬৫ ধরনের নতুন ফেব্রিকসহ মোট সাড়ে ৪ হাজার
ফেব্রিক প্রদর্শিত হচ্ছে।
মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর যমুনা ফিউচার পার্কে প্রদর্শনীর
উদ্বোধন করেন যমুনা গ্রুপের পরিচালক সুমাইয়া রোজালিন ইসলাম। প্রদর্শনীটি আয়োজন করেছে
হুরাইন এইচটিএফ লিমিটেড।
আয়োজকরা জানান, বছরে দুবার ফেব্রিক উইক আয়োজন করে হুরাইন এইচটিএফ।
শরৎ ও শীত মৌসুম এবং বসন্ত ও গ্রীষ্ম মৌসুমের বস্ত্র প্রদর্শন করা হয়। মৌসুম শুরুর
৮ মাস আগে হুরাইন উদ্ভাবিত সেই মৌসুমে ব্যবহার উপযোগী নতুন রং ও ডিজাইনের বস্ত্র সম্পর্কে
ধারণা দিতে এ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। এর মাধ্যমে দেশী-বিদেশী ক্রেতা ও ডিজাইনারদের
থেকে ক্রয়াদেশ পাওয়া সহজ হয়। এবারের প্রদর্শনীতে ২০২৫ সালের বসন্ত ও গ্রীষ্ম মৌসুমের
পোশাক প্রদর্শনী করা হচ্ছে।
যমুনা গ্রুপের পরিচালক সুমাইয়া রোজালিন ইসলাম বলেন, দেশে উৎপাদিত
ফেব্রিক সম্পর্কে বিদেশী ক্রেতা ও ডিজাইনারদের জানাতে বিদেশের বিভিন্ন প্রদর্শনীতেও
অংশগ্রহণ করে থাকে হুরাইন। এতে ক্রেতাদের থেকে ভালো সাড়া পাই আমরা।
হুরাইনের প্রধান বিপণন কর্মকর্তা আব্দুল হাকিম বলেন, বাংলাদেশে এখন
বিশ্ব মানের ফেব্রিক উৎপাদন হয়। বিদেশী ক্রেতাদের সেটি জানান দেয়ার জন্য আমাদের এ প্রদর্শনী।
সরকার প্রতি বছর রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) মাধ্যমে টেক্স ওয়ার্ল্ড প্যারিস প্রদর্শনীতে
বাংলাদেশের টেক্সটাইল মিলগুলোকে অংশগ্রহণের সুযোগ করে দিলেও এ ধরনের প্রদর্শনী আরো
বেশি হওয়া উচিত। যেসব দেশে বাংলাদেশ দূতাবাসে কমার্শিয়াল কাউন্সিলর আছে, সেসব দেশে
সরকার নিজ উদ্যোগে প্রদর্শনীর আয়োজন করতে পারে। সেই সব প্রদর্শনীতে টেক্সটাইল মিলগুলো
ফেব্রিক প্রদর্শন করলে বাংলাদেশ সম্পর্কে বিদেশী ক্রেতাদের ধারণা পাল্টে যাবে।
কৃত্রিম ফাইবারে বাংলাদেশের অফুরন্ত সুযোগ আছে দাবি করে তিনি বলেন,
বাংলাদেশে টেক্সটাইল মিলগুলোকে সঠিক নীতি সহায়তা দেয়া হলে এ খাত থেকে বিপুল পরিমাণ
বৈদেশিক মুদ্রা আয় করা সম্ভব।
হুরাইন উৎপাদিত পণ্য যুক্তরাষ্ট্র, শ্রীলঙ্কা, নিকারাগুয়া, ভিয়েতনাম
ও কম্বোডিয়াতে সরাসরি রফতানি করা হয় বলেও জানান এ কর্মকর্তা।










