ক্রেতা
সংকটে ভারত থেকে আমদানি করা পেঁয়াজ বিক্রি করতে না পেরে বিপাকে
পড়েছেন দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরের আমদানিকারকরা। অতিরিক্ত গরমে এরই মধ্যে আমদানিকারকদের গুদামগুলোয় অধিকাংশ পেঁয়াজ পচে নষ্ট হয়ে গেছে। ফলে কম দামে বিক্রি
করতে বাধ্য হচ্ছেন তারা। এতে লোকসানের মুখে পড়তে হচ্ছে আমদানিকারকদের।
হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে ইন্দোর ও নাসিক জাতের পেঁয়াজ আমদানি অব্যাহত। বন্দরে ভালোমানের ইন্দোর জাতের পেঁয়াজ ৫০ টাকা আর নাসিক জাতের পেঁয়াজ ৫৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে আমদানিকারকদের গুদামগুলোয় ভালোমানের পেঁয়াজ ৪৫ টাকা আর নিম্নমানের ১০ টাকা থেকে শুরু করে ৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
হিলি স্থলবন্দরের পেঁয়াজ আমদানিকারক আব্দুস সালাম বলেন, ‘বন্যার কারণে পেঁয়াজের উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় ভারতেই সরবরাহ খানিকটা কম। দেশটিতে পেঁয়াজ সরবরাহ স্বাভাবিক ও দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে রফতানি নিরুৎসাহিত করছে সরকার। এ লক্ষ্যে গত ১৯ আগস্ট পেঁয়াজ রফতানিতে ৪০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়। দেশের বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক ও দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে সে শুল্ক দিয়েই ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি অব্যাহত রেখেছেন আমদানিকারকরা। তবে এসব পেঁয়াজ নিয়ে আমদানিকারকরা বিপাকে পড়েছেন। গরমের কারণে পেঁয়াজ পচে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এছাড়া দাম বাড়তি থাকায় ক্রেতা সংকট দেখা দিয়েছে। ভারত থেকে আমদানীকৃত একটি ট্রাকে ৩৬ টন পেঁয়াজের মধ্যে ২০ টনও ভালো পাওয়া যাচ্ছে না। বাধ্য হয়ে এসব পেঁয়াজ ১০ টাকা শুরু করে ৩০ টাকা দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।’
হিলি স্থলবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন বলেন, ‘হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি অব্যাহত। বন্দর দিয়ে গত বৃহস্পতিবার ২২টি ট্রাকে ৬৪৫ টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে। শনিবার ৩৮টি ট্রাকে ১ হাজার ১২১ টন পেঁয়াজ আমদানি হয়। গতকালও আমদানি অব্যাহত ছিল।’









