পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত জেমিনি সি ফুড লিমিটেডের শেয়ারদর গত সপ্তাহের পাঁচ কার্যদিবসে ৩৫ শতাংশের বেশি বেড়েছে। তবে এ বৃদ্ধির পেছনে অপ্রকাশিত কোনো মূল্য সংবেদনশীল তথ্য নেই বলে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জকে (ডিএসই) জানিয়েছে খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতের কোম্পানিটি। স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত সপ্তাহের শুরুতে ডিএসইতে জেমিনি সি ফুডের শেয়ারদর ছিল ৫২৮ টাকা ২০ পয়সা। সপ্তাহ শেষে এ দর বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭১৪ টাকা ৮০ পয়সায়। সে হিসাবে আলোচ্য সপ্তাহের ব্যবধানে কোম্পানিটির শেয়ারদর বেড়েছে ১৮৬ টাকা ৬০ পয়সা বা ৩৫ দশমিক ৩৩ শতাংশ। গত সপ্তাহে কোম্পানিটির মোট ৯৮ কোটি ৫৭ লাখ ৫৮ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। দৈনিক গড় হিসাবে এ লেনদেন ছিল ১৯ কোটি ৭১ লাখ ৫১ হাজার ৬০০ টাকা। 

২০২১-২২ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের মোট ৪০ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে জেমিনি সি ফুড। এর মধ্যে ১০ শতাংশ নগদ ও ৩০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ রয়েছে। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১২ টাকা ৪৯ পয়সা, যা আগের হিসাব বছরে ছিল ৭২ পয়সা। গত বছরের ৩০ জুন শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৩ টাকা ১০ পয়সায়। 

৩০ জুন সমাপ্ত ২০২০-২১ হিসাব বছরে উদ্যোক্তা ও পরিচালক বাদে অন্য শেয়ারহোল্ডারদের ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে জেমিনি সি ফুড। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৭২ পয়সা। আগের হিসাব বছরে যেখানে শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল ৯ টাকা ৮৩ পয়সায়। 

২০১৯-২০ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি কোম্পানিটি। ২০১৮-১৯ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দেয় তারা। ২০১৭-১৮ হিসাব বছরে ১৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছিল কোম্পানিটি। এছাড়া ২০১৬-১৭ হিসাব বছরের জন্য ১২৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ পেয়েছিলেন কোম্পানিটির শেয়ারহোল্ডাররা।