গত নভেম্বরেও চীনে অপরিশোধিত ইস্পাত উৎপাদন কমেছে। এ নিয়ে টানা পাঁচ মাস ধাতুটির উৎপাদন নিম্নমুখী। দুর্বল চাহিদাকে এর পেছনে দায়ী করছেন খাতসংশ্লিষ্টরা। দেশটির জাতীয় পরিসংখ্যান ব্যুরোর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, নভেম্বরে দেশটি ৭ কোটি ৬১ লাখ টন ইস্পাত উৎপাদন করেছে, অক্টোবরে যা ছিল ৭ কোট ৯০ লাখ ৯০ হাজার টন। সে হিসেবে উৎপাদন কমেছে ৩ দশমিক ৮ শতাংশ। ২০২২ সালের একই সময়ের তুলনায়ও উৎপাদন কমেছে।
বাজারসংশ্লিষ্টরা জানান, কভিড-১৯ মহামারীসংক্রান্ত সব ধরনের বিধিনিষেধ উঠিয়ে নেয়ার পরও দেশটির অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। আবাসন খাত ধুঁকছে নানা প্রতিবন্ধকতায়। ফলে ইস্পাতের চাহিদা কমছে। এতে মুনাফা মার্জিন পড়ে যাওয়ায় উৎপাদন কমাতে বাধ্য হচ্ছে কোম্পানিগুলো।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের হিসাব অনুযায়ী, গত মাসে দেশটিতে অপরিশোধিত ইস্পাতের দৈনিক উৎপাদন ছিল ২৫ লাখ ৪০ হাজার টন, যা ২০২২ সালের ডিসেম্বরের তুলনায় কম। অক্টোবরে দৈনিক উৎপাদন ছিল ২৫ লাখ ৫৫ হাজার টন।
কার্বন নিঃসরণ কমানোর অংশ হিসেবে ইস্পাত উৎপাদন সীমিত করার সিদ্ধান্ত নেয় বেইজিং। ফলে ২০২১ ও ২০২২ সালে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশটিতে উৎপাদন ছিল নিম্নমুখী। তবে চলতি বছর উৎপাদন কমানোর কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি দেশটির সরকার।










