চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট সার্কেল-১ সাতক্ষীরায় রাজস্ব আদায় হয়েছে ১৫ কোটি ১৭ লাখ ৮০ হাজার টাকা। তবে এ সময় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অন্তত দেড় কোটি টাকা কম আদায় করা হয়েছে।
অন্যদিকে ২০২১-২২ অর্থবছরে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের বেঁধে দেয়া লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পারেনি বলে জানান সংশ্লিষ্টরা। তবে রাজস্ব ঘাটতির কারণ হিসেবে সংশ্লিষ্টরা জানান, ব্যবসায়ী বা গ্রাহকদের বকেয়া রাখার বিধান থাকায় ঘাটতি ছিল।
কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট সার্কেল-১ সাতক্ষীরা কার্যালয়ের রাজস্ব কর্মকর্তা সমীর কুমার বোস জানান, চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের জুলাই-জুন পর্যন্ত রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয় ১২০ কোটি ৩০ লাখ টাকা। এর মধ্যে গত তিন মাসের জন্য আদায় লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয় ১৬ কোটি ৭২ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। কিন্তু গত তিন মাসে রাজস্ব আয় হয়েছে ১৬ কোটি ১৭ লাখ ৮০ হাজার টাকা। এর মধ্যে জুলাইয়ে ৪ কোটি ৪৭ লাখ, আগস্টে ৫ কোটি ১ হাজার ৮০১ এবং সেপ্টেম্বরে ৫ কোটি ৬৯ লাখ ৯৯ হাজার টাকা। গত তিন মাসে সবচেয়ে বেশি রাজস্ব এসেছে সেপ্টেম্বরে।
সূত্র থেকে আরো জানা গিয়েছে, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ২০২১-২২ অর্থবছরে সাতক্ষীরা কাস্টমস ভ্যাট ও এক্সাইজ সার্কেলের জন্য রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে দেয় ১০ কোটি ১৬ লাখ টাকা। এ লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে রাজস্ব আয় হয়েছিল ৯৮ কোটি ১৮ লাখ ৯২ হাজার ৭৭৪ টাকা। ফলে লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় প্রায় ৩ কোটি টাকার রাজস্ব ঘাটতি গেছে গত অর্থবছরে।
কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট সার্কেল-১ সাতক্ষীরা কার্যালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত ডেপুটি কমিশনার নেয়ামুল হাসান বণিক বার্তাকে জানান, গত অর্থবছরে প্রায় ৩ কোটি টাকার রাজস্ব ঘাটতি রয়েছে। তবে গত অর্থবছরের তুলনায় চলতি অর্থবছরে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা অন্তত ১৯ কোটি টাকা বেশি। এর পরও লক্ষ্যমাত্রা অর্জন হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ব্যবসায়ীদের বকেয়াকে রাজস্ব ঘাটতির বড় কারণ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ইট ভাটাগুলোয় বকেয়া অনেক বেশি। তাছাড়া কিছু ব্যবসায়ী পুরো টাকা শোধ না করে কিছু বকেয়া রেখে দেয়। যে কারণে বছর শেষে বকেয়া রয়ে যায়। তবে চলতি অর্থবছর পুরো লক্ষ্যমাত্রা যাতে অর্জিত হয়, সে প্রচেষ্টা চলছে।










