কমনওয়েলথ অব ইনডিপেনডেন্ট স্টেটস বা সিএসআইভুক্ত দেশগুলোয় রফতানি বৃদ্ধির তাগিদ দিয়েছেন বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু। এসব দেশের বিশাল বাজার ধরতে পারলে বাংলাদেশের রফতানি বহুলাংশে বৃদ্ধি পাবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
গতকাল কমনওয়েলথ অব ইনডিপেনডেন্ট স্টেটস-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের (সিআইএস-বিসিসিআই) প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ আলী দ্বীনের নেতৃত্বে চেম্বারের নবনির্বাচিত পরিচালনা পর্ষদ প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় সিআইএস-বিসিসিআই চেম্বারের কার্যকলাপ তুলে ধরে চেম্বারের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ আলী দ্বীন বলেন, ‘বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনকৃত সিআইএস-বিসিসিআই চেম্বার সরকারের পাশাপাশি বেসরকারিভাবে রাশিয়াসহ সিআইএসভুক্ত দেশগুলোকে বাংলাদেশের তৃতীয় বাজার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।’ রাশিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য প্রসারের প্রধান অন্তরায়ের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এখনো বাংলাদেশ-রাশিয়ার আন্তঃব্যাংকিং লেনদেন ব্যবস্থায় উন্নয়ন হয়নি। তবে সম্প্রতি রাশিয়ায় অনুষ্ঠিত ইন্টার-গভর্নমেন্টাল কমিশন মিটিংয়ের পর এ বিষয়ে ইতিবাচক সাড়া পাওয়া গেছে। আশা করা যাচ্ছে খুব শিগগির বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, অর্থ বিভাগ ও বাংলাদেশ ব্যাংক এ বিষয়ে সমস্যা সমাধানের জন্য যৌথ উদ্যোগ নেবে।’
জবাবে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী সিআইএস-বিসিসিআইয়ের প্রশংসা করে রাশিয়ার সঙ্গে অনুষ্ঠিত আন্তঃসরকার কমিশন সভার সিদ্ধান্তগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য তার মন্ত্রণালয় ও সিআইএস-বিসিসিআইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান। রাশিয়া এবং সিআইএস দেশগুলোর বিশাল বাজার ধরতে পারলে দেশের রফতানি ও প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বহুলাংশে বৃদ্ধি পাবে বলে উল্লেখ করেন প্রতিমন্ত্রী।
তিনি চেম্বারকে সিআইএস দেশগুলোর নতুন বাজার ধরার লক্ষ্যে একটি অ্যাকশন প্ল্যান প্রণয়ন করে মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর পরামর্শ দেন।
সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন চেম্বারের ভাইস প্রেসিডেন্ড যাদব দেবনাথ, পরিচালক সালমা হোসেন অ্যাশ, ডা. লকিয়্যত উল্লাহ, মো. এনামুল হক, মো. হাসেন আলী, মো. ফারুকউল ইসলাম শোভা, মো. রাজীব পারভেজ, উপদেষ্টা মাহবুব ইসলাম রুনু, শেখ ফয়েজ আলম এবং চেম্বারের সচিব মুস্তাফা মহিউদ্দীন।










