চলতি মাসের প্রথম ১০ দিনে (১-১০ সেপ্টেম্বর) মালয়েশিয়া থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে বাড়তি পাম অয়েল রফতানির তথ্য মিলেছে। এর পরও মালয়েশীয় পাম অয়েলের বাজারে টানা মন্দা ভাব বজায় রয়েছে। টানা তিন কার্যদিবস ধরে কমতির দিকে রয়েছে পণ্যটির দাম। খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে সয়াবিন তেলের তুলনামূলক কম দাম পাম অয়েলের দরপতনে প্রভাবক হিসেবে কাজ করছে। খবর স্টার অনলাইন।
দরপতনের ধারাবাহিকতায় গতকাল বুরসা মালয়েশিয়া ডেরিভেটিভস এক্সচেঞ্জে ভবিষ্যতে সরবরাহ চুক্তিতে প্রতি টন অপরিশোধিত পাম অয়েল ২ হাজার ৮০১ রিঙ্গিত (মালয়েশীয় মুদ্রা) বা ৬৭৪ ডলার ৪৫ সেন্টে বিক্রি হয়েছে, যা আগের কার্যদিবসের তুলনায় টনপ্রতি ১৩ রিঙ্গিত বা দশমিক ৪৬ শতাংশ কম। এ নিয়ে টানা তিন কার্যদিবস ধরে মালয়েশীয় পাম অয়েলের দরপতন অব্যাহত রয়েছে। এমনকি সর্বশেষ সপ্তাহে মালয়েশিয়ার বাজারে পাম অয়েলের গড় দাম আগের সপ্তাহের তুলনায় ১ দশমিক ২ শতাংশ কমেছে।
অথচ এমন এক সময় পাম অয়েলের টানা দরপতন অব্যাহত রয়েছে, যখন মালয়েশিয়া থেকে পণ্যটির রফতানিতে চাঙ্গা ভাবের খবর মিলেছে। চলতি মাসের প্রথম ১০ দিনে মালয়েশিয়া থেকে পণ্যটির রফতানি আগের মাসের একই সময়ের তুলনায় ২৫ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়েছে।
তবে রফতানি খাত তুলনামূলক চাঙ্গা থাকলেও আন্তর্জাতিক বাজারে সয়াবিন তেলের দরপতন মালয়েশীয় পাম অয়েলের দাম কমিয়ে দিয়েছে বলে জানান খাতসংশ্লিষ্টরা। গতকাল চীনের ডালিয়ান কমোডিটি এক্সচেঞ্জে ভবিষ্যতে সরবরাহ চুক্তিতে সয়াবিন তেলের দাম আগের দিনের তুলনায় দশমিক ৮৫ শতাংশ কমেছে। একই দিন যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো বোর্ড অব ট্রেডে (সিবিওটি) ভোজ্যতেলটির দাম কমেছে দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ।










