পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সি পার্ল বিচ রিসোর্ট অ্যান্ড স্পা লিমিটেডের কর-পরবর্তী নিট মুনাফা চলতি ২০২২-২৩ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ) আগের হিসাব বছরের একই সময়ের তুলনায় ৬ দশমিক ১৮ গুণ বেড়েছে। ভ্রমণ ও অবকাশ খাতের কোম্পানিটির সর্বশেষ প্রকাশিত তৃতীয় প্রান্তিকের (জানুয়ারি-মার্চ) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে সি পার্ল বিচ রিসোর্টের কর-পরবর্তী নিট মুনাফা হয়েছে ৮০ কোটি ৬ লাখ টাকা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ১২ কোটি ৯৬ লাখ টাকা। সে হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে কোম্পানিটির নিট মুনাফা বেড়েছে ৬৭ কোটি ১০ লাখ টাকা বা ৬ দশমিক ১৮ গুণ। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৬ টাকা ৬৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ১ টাকা ৭ পয়সা। এ বছরের ৩১ মার্চ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৭ টাকা ২৮ পয়সায়।
এদিকে চলতি হিসাব বছরে তৃতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী নিট মুনাফা হয়েছে ৩৭ কোটি ৭৯ লাখ টাকা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৪ কোটি ২৭ লাখ টাকা। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৩ টাকা ১৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৩৫ পয়সা।
কোম্পানি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মূলত করোনা পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় তাদের ব্যবসা বেড়েছে। আলোচ্য সময়ে কোম্পানির রিসোর্টের রুম ব্যবসা থেকে ভালো আয় হয়েছে। এছাড়া ওয়াটার পার্কের পরিপূর্ণ ব্যবহার হয়েছে, যা থেকে ভালো আয় এসেছে। এর বাইরে ক্রুজ জাহাজ ও অন্যান্য কার্যক্রম থেকেও তাদের ভালো ব্যবসা হয়েছে। এ সময়ে কোম্পানিটি এয়ার কন্ডিশনার বিহীন হোটেলসেবা দিয়েও ভালো আয় করেছে। এসব কারণে আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী নিট মুনাফা তথা ইপিএস বেড়েছে।
৩০ জুন সমাপ্ত ২০২১-২২ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে সি পার্ল বিচ রিসোর্ট। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৩৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৬১ পয়সা। গত বছরের ৩০ জুন শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১১ টাকা ৭৭ পয়সায়, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ১০ টাকা ৬৩ পয়সায়।
৩০ জুন সমাপ্ত ২০২০-২১ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ১ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে সি পার্ল বিচ রিসোর্ট অ্যান্ড স্পা। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৬১ পয়সা। আগের হিসাব বছরে শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল ৯ পয়সা।










