পূর্বঘোষণা অনুসারে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ঢাকা ব্যাংক লিমিটেডের উদ্যোক্তা এটিএম হায়তুজ্জামান খান ব্যাংকটির ৬ লাখ ৪৮ হাজার ৭৪৬টি শেয়ার ক্রয় সম্পন্ন করেছেন। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্লক মার্কেটের মাধ্যমে এ শেয়ার কিনেছেন তিনি। স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
২০০০ সালে শেয়ারবাজারে আসা ঢাকা ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন ১ হাজার কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১ হাজার ৬ কোটি ৬০ লাখ ২০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ১ হাজার ১৪৪ কোটি ৩৯ লাখ টাকা। ব্যাংকটির মোট শেয়ার সংখ্যা ১০০ কোটি ৬৬ লাখ ২ হাজার ২৩৮। এর মধ্যে ৪২ দশমিক ৬৫ শতাংশ উদ্যোক্তা পরিচালক, ১৬ দশমিক ৩৪ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ও বাকি ৪১ দশমিক শূন্য ১ শতাংশ শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে।
ডিএসইতে গতকাল ঢাকা ব্যাংক শেয়ারের সর্বশেষ ও সমাপনী দর ছিল ১২ টাকা ৫০ পয়সা। গত এক বছরে শেয়ারটির সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ দর ছিল যথাক্রমে ১২ টাকা ৫০ ও ১৪ টাকা ৪০ পয়সা।
সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরে জন্য শেয়ারহোল্ডারদের মোট ১২ শতাংশ লভ্যাংশ সুপারিশ ব্যাংকটি। এর মধ্যে ৬ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ও ৬ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। আলোচ্য হিসাব বছরে ব্যাংকটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৭৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ২৫ পয়সা। গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর শেষে ব্যাংকটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২২ টাকা ৬৫ পয়সায়, আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ২২ টাকা ৮ পয়সা।
৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২১ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ১২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে ঢাকা ব্যাংক। আলোচ্য হিসাব বছরে ব্যাংকটির সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ২৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ৯ পয়সা। ৩১ মার্চ ২০২২ শেষে ব্যাংকটির সমন্বিত এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২২ টাকা ৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ২০ টাকা ৪৭ পয়সা।
৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২০ হিসাব বছরে মোট ১২ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে ঢাকা ব্যাংক। এর মধ্যে ৬ শতাংশ নগদ ও ৬ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। ২০১৯ হিসাব বছরে মোট ১০ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছিল ব্যাংকটি। এর মধ্যে ৫ শতাংশ নগদ ও বাকি ৫ শতাংশ স্টক। আগের হিসাব বছরেও একই হারে নগদ ও স্টক লভ্যাংশ পেয়েছিলেন ব্যাংকটির শেয়ারহোল্ডাররা।










