পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বিডি থাই অ্যালুমিনিয়াম লিমিটেডের চলতি ২০২৩-২৪ হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) কর-পরবর্তী নিট লোকসান বেড়েছে ১ দশমিক ৫৮ গুণ। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির নিট লোকসান হয়েছে ৫ কোটি ৩৪ লাখ টাকা। আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ৩ কোটি ৩৭ লাখ টাকা। কোম্পানির অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
তথ্য অনুসারে, চলতি হিসাব বছরের প্রথমার্ধে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৪২ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ২৬ পয়সা। গত ৩১ ডিসেম্বর শেষে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২৭ টাকা ৪৩ পয়সা।
সর্বশেষ ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের লভ্যাংশ না দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিডি থাই অ্যালুমিনিয়াম। তথ্য অনুসারে, আলোচ্য হিসাব বছরে বিডি থাই অ্যালুমিনিয়ামের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৫২ পয়সা। আগের হিসাব বছরে ইপিএস ছিল ২ পয়সা। এ বছরের ৩০ জুন শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৭ টাকা ৮৪ পয়সায়। আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ২৮ টাকা ৩৩ পয়সায়।
এর আগে ২০২১-২২ হিসাব বছরে বিডি থাই অ্যালুমিনিয়ামের ইপিএস হয়েছে ২ পয়সা। আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ২৫ পয়সা। সে হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে কোম্পানিটির ইপিএস কমেছে ১ টাকা ২৩ পয়সা বা ৯৮ দশমিক ৪০ শতাংশ। ৩০ জুন ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৮ টাকা ৩৩ পয়সায়। আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ২৮ টাকা ১১ পয়সায়। মুনাফা তলানিতে নামায় আলোচ্য হিসাব বছরের জন্য কোনো লভ্যাংশের সুপারিশ করেনি বিডি থাই অ্যালুমিনিয়ামের পরিচালনা পর্ষদ।
২০২০-২১ হিসাব বছরে উদ্যোক্তা পরিচালক বাদে সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে বিডি থাই অ্যালুমিনিয়াম। সমাপ্ত হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ২৫ পয়সা। আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২১ পয়সা।
৩০ জুন ২০২১ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৮ টাকা ১১ পয়সায়। আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ২৭ টাকা ৬০ পয়সা।
২০২০ হিসাব বছরের জন্য মোট ৬ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে বিডি থাই। এর মধ্যে ৩ শতাংশ নগদ ও বাকি ৩ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস ছিল ২১ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৫৬ পয়সা। ৩০ জুন ২০২০ শেষে এনএভিপিএস দাঁড়ায় ২৭ টাকা ৬০ পয়সা। আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ২৭ টাকা ৩৬ পয়সা।
১৯৯০ সালে তালিকাভুক্ত হওয়া কোম্পানিটির অনুমোদিত মূলধন ২০০ কোটি টাকা। পরিশোধিত মূলধন ১২৭ কোটি ৭৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ১৭২ কোটি ৪০ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১২ কোটি ৭৭ লাখ ৭৫ হাজার ২৫০। এর মধ্যে ২৯ দশমিক ৪৬ শতাংশ শেয়ার কোম্পানিটির উদ্যোক্তা পরিচালকদের হাতে রয়েছে। বাকি শেয়ারের মধ্যে ২৩ দশমিক ৩০ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক, দশমিক ৯৮ শতাংশ বিদেশী ও ৪৬ দশমিক ২৬ শতাংশ শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে।
বৃহস্পতিবার কোম্পানিটির শেয়ারদর ছিল ৩৪ টাকা ৬০ পয়সায়। এছাড়া গত এক বছরে শেয়ারটি সর্বনিম্ন ১২ টাকা ৭০ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ ৪০ টাকা ৮০ পয়সায় লেনদেন হয়েছে।










