পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত প্রগতি ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের পর্ষদ সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য মোট ৩০ শতাংশ লভ্যাংশের সুপারিশ করেছে। এর মধ্যে ২৫ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ রয়েছে। কোম্পানির সর্বশেষ পরিচালনা পর্ষদের সভা থেকে আলোচ্য হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুমোদনের পাশাপাশি শেয়ারহোল্ডারদের জন্য এ লভ্যাংশের সুপারিশ করা হয়।
নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরে প্রগতি ইন্স্যুরেন্সের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫ টাকা ৬৫ পয়সা। আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৫ টাকা ৭২ পয়সা। গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৫৯ টাকা শূন্য ১ পয়সায়। আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ৫৭ টাকা ৩২ পয়সায়।
এদিকে ঘোষিত লভ্যাংশ ও আলোচ্য হিসাব বছরের অন্যান্য এজেন্ডায় শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদন নিতে এ বছরের ৮ জুন বেলা সাড়ে ১১টায় ভার্চুয়াল মাধ্যমে বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আহ্বান করেছে কোম্পানিটি। এ-সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট নির্ধারণ হয়েছে আগামী ১০ মে।
৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২১ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ৩৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে প্রগতি ইন্স্যুরেন্স। আলোচ্য হিসাব বছরে বীমা খাতের কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৫ টাকা ৭২ পয়সা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৪ টাকা ৭ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২১ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ৫৭ টাকা ৩২ পয়সায়। আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ৫৩ টাকা ৫১ পয়সা।
সর্বশেষ প্রকাশিত ক্রেডিট রেটিং অনুসারে, প্রগতি ইন্স্যুরেন্সের ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘ট্রিপল এ’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-ওয়ান’। ২০২১ হিসাব বছরে নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনের ভিত্তিতে এ প্রত্যয়ন করেছে ন্যাশনাল ক্রেডিট রেটিংস লিমিটেড (এনসিআর)।
এর আগে ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২০ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ৩০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল প্রগতি ইন্স্যুরেন্স। ২০১৯ হিসাব বছরে ২২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল তারা। ২০১৮ হিসাব বছরে ১৩ শতাংশ নগদ ও ৭ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ পেয়েছিলেন কোম্পানিটির শেয়ারহোল্ডাররা।
১৯৯৬ সালে পুঁজিবাজারে আসা নন-লাইফ বীমা কোম্পানিটির অনুমোদিত মূলধন ২০০ কোটি টাকা। পরিশোধিত মূলধন ৬৫ কোটি ৫৯ লাখ টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৩০৩ কোটি ২৩ লাখ টাকা।










