চলতি বছর ইউরোপীয় ইউনিয়নে (ইইউ) খাদ্যশস্যের উৎপাদন ও রফতানি বাড়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে এমনটা জানিয়েছে ইউরোপিয়ান কমিশন।
কমিশন জানায়, ইইউতে আবাদযোগ্য ফসল উৎপাদন বাড়াতে প্রস্তাবিত উদ্যোগ কৃষকদের ভুট্টা, সূর্যমুখী ও প্রোটিনসমৃদ্ধ শস্য আবাদে উৎসাহিত করছে। এ কারণে ইইউ অঞ্চলের কৃষকদের জন্য ২০২২ সাল হতে যাচ্ছে সবচেয়ে ভালো বছর। এ সময় খাদ্যশস্য ও তেলবীজ উৎপাদনে বড় প্রবৃদ্ধি আসতে পারে। উৎপাদন বৃদ্ধিতে অনুকূল আবহাওয়াও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
প্রাক্কলিত হিসাব অনুযায়ী, ২০২২ সালে ইইউ অঞ্চলে খাদ্যশস্য উৎপাদন ২৯ কোটি ৭৭ লাখ টনে পৌঁছতে পারে। কমিশন বলছে, শূকরের মাংস উৎপাদন কমে যাওয়ায় পশুখাদ্যের চাহিদা দুর্বল হয়ে পড়েছে। অন্যদিকে বায়োডিজেল উৎপাদনে কমেছে খাদ্যশস্যের চাহিদা। ফলে যুদ্ধের কারণে ইউক্রেনের খাদ্যশস্য রফতানির ওপর যে প্রভাব পড়েছে তা কমতে পারে।
জুনে চলতি বিপণন মৌসুম শেষ হবে। এ মৌসুমে খাদ্যশস্য রফতানি ১৪ শতাংশ বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। রফতানি বাড়াতে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখছে গম। চলতি মৌসুমে অতিরিক্ত ৫৬ লাখ টন গম রফতানি হতে পারে।
কমিশন জানায়, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পরই আকাশচুম্বী হয়ে ওঠে তেলবীজের দাম। সরিষা ও সূর্যমুখীর দাম টনপ্রতি ১ হাজার ডলারে উন্নীত হয়। তবে ইইউ অঞ্চলকে এজন্য শঙ্কিত হতে হবে না। কারণ এ অঞ্চলে তেলবীজের উৎপাদন ৬ দশমিক ৫ শতাংশ বাড়তে পারে। উৎপাদনের পরিমাণ দাঁড়াবে ৩ কোটি ২ লাখ টনে।










