যুক্তরাজ্যের খুচরা বিক্রেতারা ইস্টার ট্রিট, পোশাক ও ইলেকট্রনিকস পণ্যের দাম কমিয়েছে। ফলে যুক্তরাজ্যে দোকানগুলোয় মূল্যস্ফীতি দুই বছরেরও বেশি সময়ের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। খবর দ্য গার্ডিয়ান।
প্রাপ্ত পরিসংখ্যানে দেখা যায়, মার্চে দেশটিতে পণ্য ও সেবার সার্বিক ব্যয় বেড়েছে গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১ দশমিক ৩ শতাংশ, যা ফেব্রুয়ারিতে ছিল ২ দশমিক ৫ শতাংশ। এটি ২০২১ সালের ডিসেম্বরের পর সবচেয়ে ধীরগতিতে ছিল। ব্রিটিশ রিটেইল কনসোর্টিয়াম (বিআরসি) ও বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান নিয়েলসেন আইকিউয়ের সর্বশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
খাদ্য-বহির্ভূত সব পণ্যের মূল্যস্ফীতি দশমিক ২ শতাংশ কমেছে, যা তার আগের মাসে ছিল ১ দশমিক ৩ শতাংশ। খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৫ শতাংশ থেকে কমে ৩ দশমিক ৭ শতাংশে নেমে এসেছে। পরিসংখ্যানটি এমন সময়ে এসেছে, যখন সাধারণ মানুষ আশা করছিল চার দশকের মধ্যে তীব্র মূল্যস্ফীতির চাপ এখন শেষের পথে। ধারণা করা হচ্ছে, ব্যাংক অব ইংল্যান্ড আগামী মাসগুলোয় সুদহার কমানো শুরু করতে পারে। এটি দেশটির গৃহস্থালি ব্যয় কমাতে সাহায্য করবে।
ব্রিটিশ রিটেইল কনসোর্টিয়ামের প্রধান নির্বাহী হেলেন ডিকিনসন জানান, মূল্যস্ফীতি কমেছে। খুচরা বিক্রেতাদের মধ্যে সাম্প্রতিক তীব্র প্রতিযোগিতা এক্ষেত্রে প্রভাব রেখেছে।
তিনি আরো জানান, বিশ্বব্যাপী কোকো ও চিনির দাম বৃদ্ধির কারণে ইস্টার ট্রিটের দাম গত বছরের তুলনায় এ বছর বেশি ছিল। খুচরা বিক্রেতারা জনপ্রিয় চকোলেটগুলোয় বড় পরিমাণে ছাড় দিয়েছে। ফলে গত মাসের তুলনায় ভোগ্যপণ্যের দাম কমে এসেছে।










