দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য চুক্তি প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে বলে দাবি করে গতকাল তিনি এ সিদ্ধান্তের কথা জানান। খবর বিবিসি।
কানাডার প্রায় ২০ বিলিয়ন ডলারের পণ্যে গত মঙ্গলবার সকালে নতুন শুল্ক কার্যকর হওয়ার কথা ছিল। এর মাত্র ২ ঘণ্টারও কম সময় আগে শুল্ক স্থগিতের ঘোষণা আসে। ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানান, যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার মধ্যে একটি চুক্তি হয়েছে। তবে সেটি চূড়ান্ত করতে আরো কিছু কাজ বাকি আছে।
কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নিও বলেন, ‘আলোচনায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। তবে গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয় এখনো সমাধান দরকার।’
দুই দেশের মধ্যে বেশ কয়েকটি বিষয়ে মতবিরোধ রয়েছে। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের গাড়িতে শুল্ক ও কানাডার কয়েকটি প্রদেশে মার্কিন অ্যালকোহল বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা অন্যতম। গত জুলাই থেকে দুই দেশের বাণিজ্য প্রতিনিধিরা এ নিয়ে আলোচনা করছেন। ট্রাম্প ১৯ আগস্টের মধ্যে সমঝোতা না হলে নতুন শুল্ক আরোপের হুমকি দেন।
নতুন শুল্ক কার্যকর হলে কানাডার বিভিন্ন পণ্যে এর প্রভাব পড়ত। এর মধ্যে ছিল দুগ্ধজাত পণ্য, সিমেন্ট, পোশাক ও হকি সরঞ্জাম। এসব শুল্কের পাশাপাশি কানাডার ইস্পাত, অ্যালুমিনিয়াম, গাড়ি ও কাঠের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের বিদ্যমান শুল্কও রয়েছে। কানাডা এসব গুরুত্বপূর্ণ খাতে শুল্ক কমানো বা প্রত্যাহারের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে আসছে।
ট্রাম্প জানান, চূড়ান্ত বাণিজ্য চুক্তির অংশ হিসেবে কানাডা থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে মার্কিন পণ্যের জন্য ব্যাপক বাজার সুবিধা নিশ্চিত করা হতে পারে। এর সঙ্গে অর্থনৈতিক নিরাপত্তা ও ডিজিটাল বাণিজ্যসংক্রান্ত সমঝোতাও থাকতে পারে।
ট্রাম্প গত বছরের জানুয়ারিতে দ্বিতীয়বার প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার পরই দুই দেশের বাণিজ্য সম্পর্কে উত্তেজনা বাড়ছে। এরপর তিনি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পণ্যে ব্যাপক হারে শুল্ক আরোপের উদ্যোগ নেন। এতে কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের কয়েক দশকের মুক্ত বাণিজ্য ব্যবস্থাও চাপের মুখে পড়ে।









