চলতি বছরের শুরুতে ভারতে মাত্রাতিরিক্ত খরা বিরাজ করেছে। তবে গত মাসে খরা ভাব কাটিয়ে ভারি বর্ষণ দেশটির রেকর্ড ২৫ বছরের সর্বোচ্চে পৌঁছেছে। খরায় দেশটির রবি ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। তবে বৃষ্টিপাতের প্রভাবে দেশটির পরবর্তী ফসলে ক্ষতি অনেকটা পুষিয়ে নেয়া সম্ভব হবে বলে মনে করছেন খাতসংশ্লিষ্টরা। এ সফলতার ছোঁয়া লাগতে পারে দেশটির এলাচ উৎপাদনেও। খবর বিজনেস লাইন।
ভারতের সরকারি সূত্র অনুযায়ী, চলতি বছরের আগস্টে দেশটিতে শুরু হয়েছে ২০১৯-২০ এলাচ মৌসুম। মৌসুমে শুরুতে শুষ্ক আবহাওয়া বজায় থাকায় কৃষকরা মসলাপণ্যটির ফলন নিয়ে বেশ চিন্তায় পড়েছিলেন। তবে অক্টোবরের বৃষ্টিপাত কৃষকদের এ আশঙ্কা দূর করে এ খাতে প্রত্যাশা বাড়াচ্ছে। চলতি মৌসুমে ভারতে সব মিলিয়ে ২২ হাজার টন এলাচ উৎপাদন হতে পারে। উৎপাদন বৃদ্ধির ধারা অব্যাহত থাকতে পারে আগামী মৌসুমেও।
এলাচ উৎপাদনে ভারত বিশ্বের দ্বিতীয় শীর্ষ দেশ। বৃষ্টিপাতের প্রভাবে এবার সতেজ ও উন্নতমানের এলাচ সংগ্রহ করা সম্ভব বলে প্রত্যাশা করছেন দেশটির কৃষকরা। এছাড়া পরিমিত বৃষ্টিপাতে এলাচ গাছে পর্যাপ্ত আর্দ্রতা জমায় আগামী মৌসুমেও পণ্যটির ফলন বাড়ার সম্ভাবনা বেড়েছে।
কেরালা রাজ্যের এলাচচাষী এসবি প্রভাকর বলেন, কেরালায় এখন প্রচুর বৃষ্টি হচ্ছে, যা এলাচ চাষের জন্য খুবই উপযোগী। আসন্ন বসন্তের বৃষ্টি যদি ফেব্রুয়ারি, মার্চ ও এপ্রিল পর্যন্ত অব্যাহত থাকে, তাহলে দেশটির কৃষকরা আগামী মৌসুমে খুব ভালো ফলনের আশা করতে পারেন। ভারতে কেরালা রাজ্যটি এলাচ আবাদে প্রসিদ্ধ। এ অঞ্চলে এবার মসলাপণ্যটির ফলন বাড়াতে পারে, যা দেশটির সামগ্রিক উৎপাদন বাড়বে।
তিনি বলেন, ভালো উৎপাদনের জেরে এবার ভারত থেকে এলাচের রফতানিতেও চাঙ্গা ভাব বজায় থাকতে পারে। পণ্যটির বর্তমান বাজারমূল্য অপরিবর্তিত থাকলে চাষীরা লাভবান হবেন। মসলাপণ্যটির বর্তমান বাজারমূল্য কেজিপ্রতি গড়ে ২ হাজার ৩০০ রুপি।









