করোনা মহামারীর মধ্যে মূল্যবৃদ্ধির প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকার পরও চলতি বছরের জুলাইয়ে বিশ্বজুড়ে অপরিশোধিত জ্বালানি তেল উত্তোলন আগের তুলনায় বেড়েছে। জ্বালানি পণ্যটির রফতানিকারকদের জোট অর্গানাইজেশন অব দ্য পেট্রোলিয়াম এক্সপোর্টিং কান্ট্রিজের (ওপেক) সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এ সময় ওপেক-ননওপেক সব দেশেই জ্বালানি পণ্যটির উত্তোলনে চাঙ্গা ভাব দেখা গেছে। খবর রয়টার্স।
প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জুলাইয়ে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের বৈশ্বিক উত্তোলন দাঁড়িয়েছে দৈনিক গড়ে ৮ কোটি ৮৭ লাখ ৫০ হাজার ব্যারেলে, যা আগের মাসের তুলনায় প্রতিদিন গড়ে ১২ লাখ ৯০ হাজার ব্যারেল বেশি।
এর মধ্যে সৌদি আরব, ইরাক, ইরান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, নাইজেরিয়াসহ ওপেকভুক্ত দেশগুলোয় গত জুলাইয়ে প্রতিদিন গড়ে ২ কোটি ৩১ লাখ ৭০ হাজার ব্যারেল অপরিশোধিত জ্বালানি তেল উত্তোলন হয়েছে। গত জুনের তুলনায় জুলাইয়ে ওপেকভুক্ত দেশগুলোয় জ্বালানি পণ্যটির দৈনিক গড় উত্তোলন বেড়েছে ৯ লাখ ৮০ হাজার ব্যারেল।
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়াসহ ওপেক জোটের বাইরের দেশগুলো গত জুলাইয়ে সম্মিলিতভাবে প্রতিদিন গড়ে ৬ কোটি ৫৫ লাখ ৮০ হাজার ব্যারেল অপরিশোধিত জ্বালানি তেল উত্তোলন করেছে। আগের মাসের তুলনায় এ সময় নন-ওপেক দেশগুলোয় জ্বালানি পণ্যটির দৈনিক গড় উত্তোলন বেড়েছে ৩ লাখ ১০ হাজার ব্যারেল।
এর মধ্য দিয়ে চলতি বছরের জুলাইয়ে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের বৈশ্বিক উত্তোলন খাতে ওপেক জোটের অংশীদারিত্ব দাঁড়িয়েছে ২৬ দশমিক ১ শতাংশে, যা আগের মাসের তুলনায় দশমিক ৭ শতাংশ বেশি।
এদিকে দেশভিত্তিক হিসাবে গত জুলাইয়ে সৌদি আরবে প্রতিদিন গড়ে ৮৪ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত জ্বালানি তেল উত্তোলন হয়েছে, যা আগের মাসের তুলনায় দৈনিক গড়ে ৮ লাখ ৬৬ হাজার ব্যারেল বেশি। পাশাপাশি গত জুলাইয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাত দৈনিক গড়ে ৯৮ হাজার ব্যারেল, ইরাক দৈনিক গড়ে ৩৯ হাজার ব্যারেল, কুয়েত দৈনিক গড়ে ৭৩ হাজার ব্যারেল অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের উত্তোলন বাড়িয়েছে।










