সিমেন্ট খাতের তালিকাভুক্ত কোম্পানি ক্রাউন সিমেন্ট পিএলসি মাতারবাড়ী কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে ড্রাই অ্যাশ কিনতে চায়। এজন্য একটি জয়েন্ট ভেঞ্চার কনসোর্টিয়াম এগ্রিমেন্ট (জেভিসিএ) করা হবে। সিমেন্ট উৎপাদন নিরবচ্ছিন্ন রাখার জন্য এ ড্রাই অ্যাশ কিনতে চায় বলে কোম্পানিটি স্টক এক্সচেঞ্জকে জানিয়েছে।

স্টক এক্সচেঞ্জের তথ্যানুসারে, ড্রাই অ্যাশ কিনতে চুক্তির সিদ্ধান্ত নেয়া হলেও এখনো চুক্তি স্বাক্ষর হয়নি। এছাড়া কোম্পানিটির মুক্তারপুর কারখানার পাশে ২৪৫ ডেসিমল জমি কেনার সিদ্ধান্তও নেয়া হয়েছে। প্রতি ডেসিমল জমির দাম পড়বে ৬ লাখ টাকা।

সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ) ক্রাউন সিমেন্টের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ১৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরে একই সময়ে যা ছিল ৯১ পয়সা। সে হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে কোম্পানিটির ইপিএস বেড়েছ ১২৫ পয়সা বা ১৩৭ দশমিক ৩৬ শতাংশ। তৃতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৫২ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ১৬ পয়সা। গত ৩১ মার্চ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৫০ টাকা ৩৬ পয়সায়। 

সর্বশেষ ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২১-২২ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশের সুপারিশ করেছে ক্রাউন সিমেন্টের পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১ টাকা ৫৪ পয়সা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছিল ৫ টাকা ৭৯ পয়সা। গত বছরের ৩০ জুন শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ৪৯ টাকা ১৮ পয়সায়, আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ৫২ টাকা ৬৯ পয়সা। 

২০২০-২১ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে ক্রাউন সিমেন্ট।

ডিএসইতে গতকাল ক্রাউন সিমেন্টের শেয়ারের সমাপনী দর ছিল ৭৪ টাকা ৪০ পয়সা। গত এক বছরে শেয়ারটির সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ দর ছিল যথাক্রমে ৭৪ টাকা ৪০ ও ৮২ টাকা ৫০ পয়সা।