চলতি বছরের জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারিতে ব্যবসায় বেশ ভালো লাভ হয়েছে বলে জানিয়েছে শ্রীলংকা চা বোর্ড। এ সময়ে তারা কেবল চা রফতানি করেই আয় করেছে ৪ হাজার ১০০ কোটি রুপি। এছাড়া গত বছরের তুলনায় তাদের চা উৎপাদনও হয়েছে অনেক বেশি। সাম্প্রতিক এক বিবৃতিতে শ্রীলংকার চা বোর্ড এসব তথ্য জানিয়েছে। খবর ডেইলি নিউজ।

বোর্ডের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারিতে চায়ের নিলাম মূল্য ৫৯৫ থেকে বেড়ে হয়েছে ৬৪৫ রুপি। বিশ্বের ১০টিরও বেশি দেশের মানুষের প্রথম পছন্দ শ্রীলংকার চা। এর মধ্যে রয়েছে তুরস্ক, ইরাক, রাশিয়া, ইরান, লিবিয়া ও আজারবাইজান।

বোর্ডের এক কর্মকর্তা ডেইলি নিউজকে বলেন, করোনা মহামারীর কারণে নানা রকম সমস্যার সৃষ্টি হলেও শ্রীলংকা চা বোর্ড ও সরকার চা শিল্পের কার্যক্রম বন্ধ রাখেনি। চা উৎপাদন ও রফতানি যথারীতি চালু ছিল। এক্ষেত্রে চা উৎপাদক ও রফতানিকারকদের সব ধরনের সুবিধা দিয়ে পাশে ছিল চা বোর্ড। প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট দেশের দূতাবাসের সহায়তা নিয়ে হলেও সেখানে চা পাঠানো হয়েছে। মহামারীর সময় সরবরাহ ঠিক রাখতে অনলাইনেই নিলামের ব্যবস্থা চালু করা হয়।

এখন শ্রীলংকা চা বোর্ডের লক্ষ্য আফ্রিকা ও উত্তর আমেরিকার দেশগুলোতে চায়ের বাজার পুনরুদ্ধার করা। সেই সঙ্গে উচ্চমানের ‘সিলন চা’, সুস্বাস্থ্যের জন্য প্রয়োজনীয় প্রিমিয়াম কোয়ালিটির ব্ল্যাক টির বিষয়ে বিশ্বব্যাপী প্রচারণাও চালাবে চা বোর্ড, যা শ্রীলংকার চা শিল্পের প্রসারে নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।