দেশের হিসাব পেশার সার্বিক উন্নয়ন ও পেশাগত উৎকর্ষ বৃদ্ধির লক্ষ্যে এখন থেকে যৌথভাবে কাজ করবে ইনস্টিটিউট অব কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ (আইসিএমএবি) এবং ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ (আইসিএবি)। এই অভিন্ন লক্ষ্য বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে গতকাল রাজধানীর আইসিএবি কাউন্সিল হলে এক অনুষ্ঠানে যৌথ সহযোগিতা কাঠামো চুক্তিতে আবদ্ধ হয় প্রতিষ্ঠান দুটি। এ সময় আইসিএবির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. কামরুজ্জামান এবং আইসিএমএবির নির্বাহী পরিচালক মো. মাহবুব-উল-আলম নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করেন।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, নতুন এই অংশীদারত্বের আওতায় প্রতিষ্ঠান দুটি গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা, পেশাগত প্রশিক্ষণ কর্মসূচি আয়োজন, অব্যাহত পেশাগত উন্নয়ন (সিপিডি) কর্মসূচি বাস্তবায়ন, বিভিন্ন সম্মেলন ও সেমিনার আয়োজন এবং নীতি সংলাপ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে একে অন্যের সঙ্গে সহযোগিতা করবে। পাশাপাশি জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বিষয়ে যৌথ উদ্যোগ গ্রহণ করবে। একই সঙ্গে জাতীয় নীতি প্রণয়ন প্রক্রিয়া এবং দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে পেশাজীবী হিসাববিদদের ভূমিকাকে আরো কার্যকর ও অর্থবহ করে তোলার লক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মর্সূচি নেয়া হবে।

অনুষ্ঠানে আইসিএমএবির সভাপতি মো. কাউসার আলম বলেন, ‘জাতীয় নীতি প্রণয়ন প্রক্রিয়া ও দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে হিসাব পেশার কার্যকর ও অর্থবহ অবদান নিশ্চিত করতে হলে দুই প্রতিষ্ঠানকে নীতিগত পর্যায়ে আরো ঘনিষ্ঠভাবে এবং সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।’ তিনি হিসাব পেশার সার্বিক স্বার্থ সংরক্ষণে একটি সমন্বিত ও শক্তিশালী কণ্ঠস্বর গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার ওপরও বিশেষভাবে গুরুত্বারোপ করেন।

অন্যদিকে আইসিএবির সভাপতি সাব্বির আহমেদ বলেন, ‘দুই প্রতিষ্ঠানের এই সমন্বিত উদ্যোগ জাতীয় নীতি প্রণয়ন প্রক্রিয়ায় পেশাজীবীদের ভূমিকাকে আরো শক্তিশালী ও কার্যকর করে তুলবে। পাশাপাশি এটি হিসাব পেশার সামাজিক স্বীকৃতি বৃদ্ধি করবে এবং বাংলাদেশের হিসাব পেশার সামগ্রিক মর্যাদা ও অবস্থানকে আরো সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’

প্রতিষ্ঠান দুটি জানিয়েছে, এই নতুন অংশীদারত্বের মাধ্যমে শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন অংশীজনের মধ্যে পেশাদার হিসাববিদ্যার গুরুত্ব ও প্রাসঙ্গিকতা তুলে ধরা হবে। পাশাপাশি জাতীয় অর্থনৈতিক উন্নয়নে পেশাজীবী হিসাববিদদের ভূমিকা সম্পর্কে যৌথভাবে নীতি-প্রস্তাব প্রণয়ন ও উপস্থাপনের উদ্যোগ নেয়া হবে।