করোনা মহামারীর মধ্যে ভারতে ভোজ্যতেল আমদানিতে মন্দা ভাব দেখা দিয়েছে। এ ধারাবাহিকতায় চলতি বছরের আগস্টে দেশটিতে সয়াবিন তেল আমদানি আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় সাড়ে ১০ শতাংশ কমে চার লাখ টনের নিচে নেমে এসেছে। মুম্বাইভিত্তিক সলভেন্ট এক্সট্রাক্টর্স অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্ডিয়ার (এসইএ) সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। খবর বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড ও ইকোনমিক টাইমস।
সয়াবিন তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোর বৈশ্বিক শীর্ষ তালিকায় ভারতের অবস্থান ষষ্ঠ। তবে অভ্যন্তরীণ চাহিদা বেশি থাকায় ভারতীয় আমদানিকারকরা প্রতি বছর আন্তর্জাতিক বাজার থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ সয়াবিন তেল আমদানি করেন। ভোজ্যতেলটির আমদানিকারকদের তালিকায় ভারতের অবস্থান বিশ্বে প্রথম।
এসইএর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছরের আগস্টে আন্তর্জাতিক বাজার থেকে ভারতীয় আমদানিকারকরা সব মিলিয়ে ৩ লাখ ৯৪ হাজার ৭৩৫ টন সয়াবিন তেল আমদানি করেছেন, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১০ দশমিক ৪ শতাংশ কম।
চলতি বছর ভারতে ৩২ লাখ ৩৬ হাজার টন সয়াবিন তেল আমদানির সম্ভাবনা রয়েছে, যা আগের বছরের তুলনায় ১ দশমিক ১৩ শতাংশ বেশি। এর আগে ২০১৫ সালে ভারতের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি ৪২ লাখ ৬৯ হাজার টন সয়াবিন তেল আমদানি হয়েছিল।
শুধু সয়াবিন তেল নয়, গত আগস্টে ভারতের বাজারে সূর্যমুখী তেল আমদানিও কমে এসেছে। প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, এ সময় আন্তর্জাতিক বাজার থেকে ভারতীয় আমদানিকারকরা সব মিলিয়ে ১ লাখ ৫৮ হাজার ৫১৮ টন সূর্যমুখী তেল আমদানি করেছেন, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩১ শতাংশ কম।
সূর্যমুখী তেল আমদানিকারক দেশগুলোর বৈশ্বিক তালিকায়ও ভারতের অবস্থান শীর্ষে। চলতি বছর দেশটিতে সব মিলিয়ে ২৬ লাখ টন সূর্যমুখী তেল আমদানি হতে পারে, যা আগের বছরের তুলনায় ৩ দশমিক ৭ শতাংশ কম। গত বছর ভারতের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি ২৭ লাখ টন সূর্যমুখী তেল আমদানি হয়েছে।










