দেশীয় অংশীদার হিসেবে প্লাটফর্মটির কার্যক্রম পরিচালনা করবে ডিজিবক্স। এর মাধ্যমে ক্যাফে, রেস্টুরেন্ট, সেলুন, জিম ও রিটেইল শপসহ ছোট ব্যবসাগুলো তাদের গ্রাহকদের জন্য ডিজিটাল লয়্যালটি প্রোগ্রাম চালু করতে পারবে। প্রতিষ্ঠানটির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
মীডের অন্যতম বৈশিষ্ট্য এ সেবা ব্যবহারে গ্রাহকদের আলাদা কোনো মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করতে হবে না। অ্যাপল ওয়ালেট ও গুগল ওয়ালেটের মাধ্যমে সরাসরি লয়্যালটি প্রোগ্রাম ব্যবহার করা যাবে। এতে ডিজিটাল স্ট্যাম্প কার্ডের পাশাপাশি কিউআর ও এনএফসি ব্যবহার করে গ্রাহক নিবন্ধন এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক রিসিট স্ক্যানিংয়ের সুবিধা রয়েছে।
মীডের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ফিল ইংগ্রাম বলেন, ‘বাংলাদেশের বিশাল জনগোষ্ঠী ও প্রায় সর্বজনীন মোবাইল ফোন ব্যবহার এমন একটি বাজার তৈরি করেছে, যেখানে ডিজিটাল লয়্যালটি প্রোগ্রামের জন্য প্রয়োজনীয় গ্রাহক আচরণ এরই মধ্যে বিদ্যমান।’
ডিজিবক্সের সহপ্রতিষ্ঠাতা রেজওয়ানুল হক জামি বলেন, ‘মীড এরই মধ্যে অন্যান্য বাজারে ক্ষুদ্র ব্যবসার জন্য কার্যকর পণ্য হিসেবে নিজেদের প্রমাণ করেছে। এ কারণে ডিজিবক্স বাংলাদেশে কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি মূল কোম্পানিতেও বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, বর্তমানে হংকং, ব্যাংককসহ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন বাজারে স্বাধীন ক্যাফে, সেলুন, জিম ও রিটেইল ব্যবসার সঙ্গে কাজ করছে মীড। প্রতিষ্ঠানটির ইকোসিস্টেম অংশীদারদের রয়েছে গুগল, অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিসেস (এডব্লিউএস), এনভিডিয়া ইনসেপশন প্রোগ্রাম এবং হংকং সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি পার্ক।
মীডের বাজার বিশ্লেষণ অনুযায়ী, বাংলাদেশের ১৭ কোটি ৮০ লাখ মানুষের মধ্যে মোবাইল ফোন ব্যবহারের হার বেশি। দেশের ৯৮ দশমিক ৯ শতাংশ পরিবারের অন্তত একটি মোবাইল ফোন রয়েছে। একই সঙ্গে সক্রিয় মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) হিসাবের সংখ্যা ১৯ কোটি ১০ লাখের বেশি। গত তিন বছরের কম সময়ে স্মার্টফোনের মালিকানা ৬৩ দশমিক ৩ শতাংশ থেকে বেড়ে ৭২ দশমিক ৪ শতাংশে পৌঁছেছে। এ কারণে বাংলাদেশে ডিজিটাল লয়্যালটি সেবার বড় সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করে মীড।









