বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, গবেষণা, উদ্ভাবন, উচ্চশিক্ষা ও মানবকল্যাণে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বাংলাদেশ একাডেমি অব সায়েন্সেস (বিএএস)-এর ফেলো নির্বাচিত হয়েছেন গ্রিন ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শরীফ উদ্দিন।
অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শরীফ উদ্দিন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকে স্নাতক সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে তিনি জাপানের শিগা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর এবং কিয়োটো ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। এছাড়া তিনি সিঙ্গাপুর, জাপান, জার্মানি ও চীনের খ্যাতনামা গবেষণাগারে পোস্টডক্টরাল গবেষণা সম্পন্ন করেছেন। দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি গবেষণা, উচ্চশিক্ষা এবং উদ্ভাবনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। বিশেষ করে ২০০৪ সালে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী মানুষের চলাচলে সহায়তার জন্য তার উদ্ভাবিত ‘ইলেকট্রনিক আই’ প্রযুক্তি আন্তর্জাতিকভাবে ব্যাপক সাড়া ফেলে। এটি সিএনএন, বিবিসি, রয়টার্স ও দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসের মতো আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রশংসিত ও আলোচিত হয়।
তার গবেষণার প্রধান ক্ষেত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে কম্পিউটার ভিশন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, মেশিন লার্নিং, ইমেজ প্রসেসিং এবং এগ্রো-বায়োমেডিক্যাল ইমেজিং। এলসেভিয়ার, স্প্রিঙ্গার, আইইইই ও এসিএমের মতো আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন প্রকাশনা প্লাটফর্মে তার প্রায় ৩০০টি গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়েছে। গুগল স্কলারে তার গবেষণাকর্মের উল্লেখ সংখ্যা সাড়ে ৭ হাজার অতিক্রম করেছে। বিজ্ঞান ও গবেষণায় তার দুটি পেটেন্ট রয়েছে।
ড. মোহাম্মদ শরীফ উদ্দিন ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ ও বাংলাদেশ কম্পিউটার সোসাইটির ফেলো এবং আইইইই-এর জ্যেষ্ঠ সদস্য হিসেবে যুক্ত আছেন। এছাড়া তিনি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত আইইইই অ্যাকসেস সাময়িকীর সহযোগী সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শরীফ উদ্দিনের এই মর্যাদাপূর্ণ স্বীকৃতি তার দীর্ঘদিনের গবেষণা, উদ্ভাবন ও উচ্চশিক্ষায় অবদানের একটি বড় স্বীকৃতি। একই সঙ্গে এই অর্জন গ্রিন ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের গবেষণা ও উচ্চশিক্ষার অগ্রযাত্রাকে আরো সমৃদ্ধ করেছে। এই গৌরবময় অর্জনে গ্রিন ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ পরিবার তাকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছে এবং তার অব্যাহত সাফল্য কামনা করেছে।— সংবাদ বিজ্ঞপ্তি









