চীনের সঙ্গে তাইওয়ানের বিরোধ দীর্ঘদিনের। কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার চেষ্টায় চীন বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগ করছে। এ নিয়ে দুটি দেশের মধ্যে বৈরী সম্পর্ক বিরাজ করছে। এ পরিস্থিতিতে অভ্যন্তরীণ পর্যায়ে ড্রোন তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে পূর্ব এশিয়ার দেশ তাইওয়ান। এজন্য পাবলিক ও ব্যক্তি মালিকানাধীন খাতকে একত্র করা হচ্ছে। সামরিক শক্তি বাড়ানোর পাশাপাশি আত্মরক্ষা নিশ্চিতেই ড্রোন তৈরি করা হবে। তাইওয়ানের জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রণালয় এ খাতের প্রবৃ্দ্ধিতে কাজ করছে। এর অংশ হিসেবে তিন হাজারের বেশি সিভিলিয়ান ড্রোন বা আনম্যানড এরিয়াল ভেহিকল (ইউএভি) ক্রয়ে ৫ হাজার কোটি তাইওয়ানিজ ডলার ব্যয় করা হবে। ২০২৮ সাল নাগাদ দেশটির সামরিক খাতে এগুলোর ব্যবহার শুরু হবে বলে সূত্রে জানা গেছে। দ্য ন্যাশনাল চুং শান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি পাঁচ ধরনের মিলিটারি গ্রেড ড্রোন তৈরিতে প্রাইভেট সংস্থাগুলোর সঙ্গে কাজ করছে। এসব ড্রোনের মাধ্যমে সীমান্ত এলাকা বা শত্রুপক্ষের ঘাঁটি থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হবে। প্রাইভেট কোম্পানিগুলোর গবেষণা ও উন্নয়ন কার্যক্রমে সহায়তার অংশ হিসেবে তাইওয়ানের অর্থ মন্ত্রণালয় ভর্তুকি প্রকল্প চালু করেছে। যার মাধ্যমে ৫০ শতাংশ ব্যয় বহন করা হবে। নিক্কেই এশিয়া
নিজেরাই ড্রোন উৎপাদন করবে তাইওয়ান
চীনের সঙ্গে তাইওয়ানের বিরোধ দীর্ঘদিনের। কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার চেষ্টায় চীন বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগ করছে।










