চলতি বছর আড়াই থেকে তিন কোটি পর্যটক আশা করছে থাইল্যান্ড। গতকাল দেশটির পর্যটন ও ক্রীড়ামন্ত্রী ফিফাত রাতচাকিতপ্রাকার্ন এমনটা জানান। করোনা মহামারী শুরুর আগে ২০১৯ সালে প্রায় চার কোটি পর্যটক পেয়েছিল থাইল্যান্ড। দেশটির পর্যটন খাত যে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে সাম্প্রতিক উপাত্তে তা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। বৃহস্পতিবার এক বিজনেস সেমিনারে পর্যটনমন্ত্রী জানান, চলতি বছরের জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারিতে ৪২ লাখ পর্যটক এসেছে। পর্যটন খাতে আশাবাদের জায়গা হলো করোনা বিধিনিষেধ প্রত্যাহার। মূলত চীনের কভিডনীতি শিথিল থাইল্যান্ডের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে হাজির হয়েছে। করোনাপূর্ব সময়ে থাইল্যান্ডের প্রায় অর্ধেক বিদেশী পর্যটক ছিল চীনের। থাইল্যান্ডের অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন খাতের পুনরুদ্ধার সার্বিক অর্থনীতির গতি ফেরাতে ভূমিকা রাখবে বলে মনে করে দেশটির সরকার। খবর রয়টার্স
আড়াই থেকে তিন কোটি পর্যটক আশা করছে থাইল্যান্ড
চলতি বছর আড়াই থেকে তিন কোটি পর্যটক আশা করছে থাইল্যান্ড। গতকাল দেশটির পর্যটন ও ক্রীড়ামন্ত্রী ফিফাত রাতচাকিতপ্রাকার্ন এমনটা জানান। করোনা মহামারী শুরুর আগে ২০১৯ সালে প্রায় চার কোটি পর্যটক পেয়েছিল থাইল্যান্ড। দেশটির পর্যটন খাত যে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে সাম্প্রতিক উপাত্তে তা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। বৃহস্পতিবার এক বিজনেস সেমিনারে পর্যটনমন্ত্রী জানান, চলতি বছরের জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারিতে ৪২










