করোনা সংকটের মাঝে চলতি বছর অপরিশোধিত পাম অয়েল আমদানি কমিয়ে দিতে পারে চীন। এ সময় দেশটিতে পণ্যটির আমদানি ৬০ লাখ টনের নিচে নেমে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই চীন আমদানি কমালে আন্তর্জাতিক বাজারে পাম অয়েলের মূল্য নির্ধারণে এর প্রভাব পড়বে। খবর রয়টার্স ও বিজনেস রেকর্ডার।

পণ্যবাজারবিষয়ক তথ্য বিশ্লেষণকারী মালয়েশীয় প্রতিষ্ঠান কুয়ালালামপুর কেপং বিএইচডির পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, চলতি বছর চীনের বাজারে সব মিলিয়ে ৫৯ লাখ ৫০ হাজার টন অপরিশোধিত পাম অয়েল আমদানি হতে পারে। গত বছর দেশটির আমদানিকারকরা মোট ৭৫ লাখ ৫০ হাজার টন অপরিশোধিত পাম অয়েল আমদানি করেছিলেন। সেই হিসেবে এক বছরের মধ্যে চীনে পণ্যটির আমদানি কমতে পারে ১৬ লাখ টন।

প্রতিষ্ঠানটির ব্যবসা পরিচালক ওই লিয়াং হিন বলেন, একক দেশ হিসেবে চীন বিশ্বের দ্বিতীয় শীর্ষ পাম অয়েল আমদানিকারক। গত বছর দেশটিতে পাম অয়েল উৎপাদন অনেকটাই কমে গিয়েছিল। ফলে পণ্যটির আমদানি বাড়িয়েছিল চীন। চলতি বছর পাম অয়েল আমদানি কমিয়ে আনতে পারে দেশটি।

তিনি আরো বলেন, আগে থেকেই পাম অয়েলের বাজার দরপতনের মুখে রয়েছে। চলতি বছর করোনা মহামারীর মধ্যে চীন আমদানি কমালে বৈশ্বিক পাম অয়েল ব্যবসা নতুন করে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। পণ্যটির দাম আরো কমে যেতে পারে।

মালয়েশিয়ান পাম অয়েল কাউন্সিলের (এমপিওবি) তথ্য অনুযায়ী, পাঁচ বছর আগেও চীনে পাম অয়েলের আমদানি চাহিদার ৪০ শতাংশ জোগান দিত মালয়েশিয়া। বর্তমানে এ বাজার হিস্যা ৩০ শতাংশে নেমে এসেছে। এটাও মালয়েশীয় পাম অয়েলের দরপতনের বড় একটি কারণ।