ভিয়েতনাম বিশ্বের শীর্ষ কাজুবাদাম উৎপাদন ও রফতানিকারক দেশ। প্রতি বছর কৃষিপণ্যটি রফতানি বাবদ প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা আয় করে দেশটি। তবে আগামী বছর এ খাতে আয় আরো বাড়ানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে ভিয়েতনাম। এরই মধ্যে পরিকল্পনা অনুযায়ী নানামুখী উদ্যোগও নিয়েছে দেশটি। ভিয়েতনাম কাজু অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে বলা হয়, লক্ষ্য অর্জনে দেশটি কাজুবাদামের প্রক্রিয়াকরণ, মান উন্নয়ন ও বৈচিত্র্যকরণে মনোনিবেশ করছে। খবর ভিয়েতনাম প্লাস।
ভিয়েতনাম কাজু অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের শুরু থেকে নভেম্বরের শেষ নাগাদ দেশটি আন্তর্জাতিক বাজারে মোট ৪ লাখ ১৮ হাজার টন কাজুবাদাম রফতানি করেছে; যা থেকে আয় হয়েছে ৩০০ কোটি মার্কিন ডলার। বছর শেষে খাদ্যপণ্যটির রফতানি ৪ লাখ ৫০ হাজার টনে উন্নীত হবে বলে প্রত্যাশা করছে দেশটি। এ থেকে আয়ের প্রত্যাশা রয়েছে ৩৫০ কোটি ডলার।
এদিকে আগামী বছর এ খাতে আয় আরো বাড়িয়ে ৪০০ কোটি ডলারে উন্নীত করার প্রত্যাশা রয়েছে ভিয়েতনামের। এ লক্ষ্যে এরই মধ্যে প্রক্রিয়াকরণ ও উৎপাদন চাহিদা মেটাতে দেশটি ১৫ লাখ টনের বেশি কাঁচামাল আমদানি করেছে। এর অধিকাংশ আমদানি করা হয়েছে আফ্রিকার বিভিন্ন দেশ থেকে।
এখন পর্যন্ত ভিয়েতনামের কাজুবাদামের সবচেয়ে বড় বাজার যুক্তরাষ্ট্র। এর পরে রয়েছে যথাক্রমে চীন ও নেদারল্যান্ডস। তবে এবার দেশটি থেকে চীনের বাজারে রেকর্ড কাজুবাদাম রফতানি হয়েছে। জেনারেল ডিপার্টমেন্ট অব ভিয়েতনাম কাস্টমসের তথ্য অনুযায়ী, বছরের প্রথম ১০ মাসে (জানুয়ারি-অক্টোবর) ভিয়েতনাম থেকে চীনে মোট ৫৮ হাজার ১০০ টন কাজুবাদাম রফতানি হয়েছে। এ থেকে দেশটি আয় করেছে ৪৪ কোটি ৭২ লাখ মার্কিন
ডলার। আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় দেশটি থেকে চীনে পণ্যটির রফতানি এবং এ থেকে আয় বেড়েছে যথাক্রমে ৫৮ ও ৩৬ দশমিক ৩ শতাংশ।









