কভিড-১৯ সংক্রান্ত সব ধরনের বিধিনিষেধ উঠিয়ে নেয়ার পর থেকেই চীনের অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছিল। কিন্তু সে প্রত্যাশা এখনো পূরণ হয়নি। বরং নানা প্রতিবন্ধকতায় দেশটির অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি ক্রমেই শ্লথ হচ্ছে। নতুন করে আবারো দেশটির অর্থনীতি নিয়ে আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সে প্রকাশিত খবরের তথ্যানুযায়ী, বিশ্বের বৃহত্তম তেল আমদানিকারক চীনের জুলাইয়ে নেতিবাচক আমদানি রফতানি বাণিজ্য তথ্য ধীর অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের ইঙ্গিত দিচ্ছে। যে কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ১ শতাংশের মতো কমেছে।
ব্রেন্ট (অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের আন্তর্জাতিক বাজার) ক্রুডের দাম ব্যারেল প্রতি ১ দশমিক ১ শতাংশ কমে ৮৪ ডলার ৪১ সেন্ট হয়েছে। অন্যদিকে ডব্লিউটিআই (যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট) অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দামও ১ দশমিক ১ শতাংশ কমে ৮১ ডলার ৬ সেন্টে দাঁড়িয়েছে। জুনের তুলনায় জুলাইয়ে চীনের তেল আমদানি ১৮ শতাংশ কমেছে, তবে তা আগের বছরের তুলনায় ১৭ শতাংশ বেশি ছিল।
সামগ্রিকভাবে দেশে আমদানি ও রফতানি প্রত্যাশার চেয়ে বেশি কমেছে, যা অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদ ও সংশ্লিষ্টরা। নেতিবাচক তথ্য প্রতিবেদন থাকা সত্ত্বেও কিছু বিশ্লেষক আগস্ট থেকে অক্টোবরের শুরু পর্যন্ত চীনের জ্বালানি তেলের চাহিদা নিয়ে আশা প্রকাশ করেছেন।
কমনওয়েলথ ব্যাংক অব অস্ট্রেলিয়ার মাইনিং অ্যান্ড এনার্জি কমোডিটিজের কৌশলবিদ বিবেক ধর জানান, ব্রেন্ট ফিউচারের দাম ব্যারেল প্রতি ৮০ ডলারের ওপর যাওয়া সত্ত্বেও সেপ্টেম্বরে সৌদি উৎপাদন কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।










