বিশ্বব্যাংক গ্রুপের বেসরকারি খাতভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আইএফসির এ অর্থায়ন মূলত ওষুধ উৎপাদনের প্রধান কাঁচামাল অ্যাকটিভ ফার্মাসিউটিক্যাল ইনগ্রেডিয়েন্টস (এপিআই) আমদানিতে ব্যবহার করা হবে। গতকাল এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

আইএফসি বলছে, দীর্ঘমেয়াদি এ ঋণসুবিধা কাঁচামাল আমদানিতে বৈদেশিক মুদ্রার প্রাপ্যতা নিশ্চিত করবে এবং প্রায় ১৭ কোটি মানুষের জন্য প্রয়োজনীয় ওষুধের সরবরাহ অব্যাহত রাখতে সহায়তা করবে।

দেশের শীর্ষ ১০ ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের অন্যতম পপুলার ফার্মাসিউটিক্যালস বর্তমানে ৮১৫টির বেশি পণ্য উৎপাদন করে ১ লাখ ৫৫ হাজার ৬০০ ফার্মেসি ও ক্লিনিকে সরবরাহ করছে। প্রতিষ্ঠানটিতে ১০ হাজারের বেশি মানুষ কর্মরত।

পপুলার ফার্মাসিউটিক্যালসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ডা. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘আইএফসির সঙ্গে এ অংশীদারত্ব ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের শীর্ষস্থানীয় ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান হওয়ার লক্ষ্য অর্জনে সহায়ক হবে।’

আইএফসির এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের আঞ্চলিক শিল্প পরিচালক কারস্টেন মুলার বলেন, ‘এ বিনিয়োগ স্বাস্থ্য খাতের সরবরাহ ব্যবস্থা শক্তিশালী করার পাশাপাশি দক্ষ কর্মসংস্থান সৃষ্টিতেও ভূমিকা রাখবে।’

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, আইএফসির অর্থায়নের পাশাপাশি আরো ৬ কোটি ৪১ লাখ ডলারের বেসরকারি বিনিয়োগ যুক্ত হবে। এছাড়া প্রকল্পের আওতায় পপুলারের হরমোন বিভাগ সম্প্রসারণ, ৩৩০টি উচ্চ দক্ষতাসম্পন্ন কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং ওই বিভাগে নারী কর্মীর অংশগ্রহণ অন্তত ৬০ শতাংশ বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়া হবে।