ফলে স্থানীয় সময় গত শনিবার সকালে বিমানবন্দরে ২ ও ৩ নম্বর টার্মিনালে সড়কপথে প্রবেশাধিকার সাময়িকভাবে সীমিত করে কর্তৃপক্ষ। তবে দ্রুত পদক্ষেপের পর গতকাল ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে এসেছে।
বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, কেন্দ্রীয় টার্মিনাল এলাকায় পানি জমে যাওয়ায় যাত্রী ও পর্যটকদের সাময়িকভাবে রেল ও আন্ডারগ্রাউন্ড টিউব ব্যবহারের পরামর্শ দেয়া হয়।
উল্লেখ্য, হিথরো দিয়ে বিশ্বজুড়ে প্রতিদিন হাজার হাজার ব্যবসায়ী, করপোরেট প্রতিনিধি ও পর্যটক যাতায়াত করেন। এটি যুক্তরাজ্যের অন্যতম প্রধান কার্গো ও পণ্য পরিবহনের কেন্দ্র। সড়ক যোগাযোগ বন্ধ থাকলে বিশ্বমানের বাণিজ্য কেন্দ্রটি পণ্য আসা-যাওয়া থমকে যায়। খবর দ্য গার্ডিয়ান









