পাম অয়েল থেকে উৎপাদিত জৈব জ্বালানি ব্যবহার বন্ধের উদ্যোগ নিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) দেশগুলো। এ নিয়ে ইইউর সঙ্গে মালয়েশিয়ার বিরোধ চলছে বেশ আগে থেকেই। এবার বিরোধের অংশ হিসেবে ইইউর বিরুদ্ধে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থায় (ডব্লিউটিও) আনুষ্ঠানিকভাবে আইনি পদক্ষেপ নিয়েছে মালয়েশিয়া সরকার। দেশটির অভিযোগ, পাম অয়েল ব্যবহার বন্ধ করে ইইউ মালয়েশিয়ার বাণিজ্যিক স্বার্থ ক্ষুণ্ন করছে। খবর রয়টার্স।

মালয়েশিয়া বিশ্বের দ্বিতীয় শীর্ষ পাম অয়েল উৎপাদনকারী ও রফতানিকারক। দেশটি থেকে রফতানি হওয়া পাম অয়েলের অন্যতম ক্রেতা ইইউ। স্বাভাবিকভাবে ইইউর বাজারে পাম অয়েল রফতানি কমলে কিংবা বন্ধ হয়ে গেলে গভীর সংকটে পড়বে মালয়েশিয়ার অর্থনীতি। মূলত এ কারণে জৈব জ্বালানি নিয়ে ইইউর নীতির বিরুদ্ধে ডব্লিউটিওতে নালিশ জানিয়েছে কুয়ালালামপুর।

পরিবেশ সচেতনতার কারণে জৈব জ্বালানিতে পাম অয়েল ব্যবহার বন্ধ করতে আগ্রহী ইইউ। এ উদ্যোগের পেছনে সবচেয়ে বেশি সরব রয়েছে ফ্রান্স ও লিথুয়ানিয়া। ইইউর পার্লামেন্টে এ নিয়ে পাস হয়েছে প্রস্তাব। তবে মালয়েশিয়া সরকারের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এ নীতি প্রণয়নের মধ্য দিয়ে ইইউ মালয়েশিয়ার ব্যবসায়িক স্বার্থ ক্ষুণ্ন করছে। মালয়েশিয়া সরকারের পক্ষ থেকে আলোচনার জন্য ইউরোপে প্রতিনিধি পাঠানো হয়েছিল। তবে তা ইতিবাচক ফল বয়ে আনেনি।

মালয়েশিয়ার শিল্পমন্ত্রী মোহাম্মদ খায়রুদ্দিন আমান রাজালি বলেন, পুরো বিষয়টি এখন ডব্লিউটিওর বিরোধ নিষ্পত্তি বিভাগের আওতায় রয়েছে। আমরা আশা করছি, পাম অয়েল নিয়ে ইইউর এমন বৈষম্যমূলক নীতির বিরুদ্ধে চূড়ান্ত রায় আসবে।