ইন্দোনেশিয়ায় গমের আবাদ তেমন হয় না। অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটাতে দেশটি সম্পূর্ণরূপে আমদানিনির্ভর। মার্কিন কৃষি বিভাগের (ইউএসডি) ফরেন এগ্রিকালচারাল সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরে দেশটি মোট ১ কোটি ১৩ লাখ টন গম আমদানি করতে পারে। আগের অর্থবছর আমদানি করেছিল ১ কোটি ৭ লাখ ৮০ হাজার টন। খবর ওয়ার্ল্ড গ্রেইন।

বিশ্বের দ্বিতীয় শীর্ষ আমদানিকারক দেশটি ২০১৮-১৯ অর্থবছরে যুক্তরাষ্ট্র থেকে রেকর্ড গম আমদানি করে। ইউএসডিএর তথ্য অনুযায়ী, গত অর্থবছর দেশটি নিউইয়র্ক থেকে মোট ১৩ লাখ ৭৩ হাজার টন গম আমদানি করে ইন্দোনেশিয়া, যা আগের অর্থবছরের তুলনায় ২৯ শতাংশ বেশি। এবার দেশটি থেকে পণ্যটি আমদানি আরো বাড়তে পারে ইন্দোনেশিয়া।

তবে আগের অর্থবছরে ইন্দোনেশিয়ায় শীর্ষ গম সরবরাহকারী দেশ হয় ইউক্রেন। ওই সময় দেশটির মোট আমদানির ২৪ শতাংশ হিস্যা দাঁড়ায় ইউক্রেনের গমের। এর পরে রয়েছে যথাক্রমে কানাডা, আর্জেন্টিনা, যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া ও রাশিয়া। পণ্যটি আমদানিতে এসব দেশের হিস্যা দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে ২২, ১৮, ১৩, ১১ ও ৯ শতাংশ।

ইন্দোনেশিয়ায় পশুখাদ্য হিসেবে প্রচুর গম ব্যবহার হয়। গত অর্থবছর দেশটিতে পশুখাদ্য হিসেবে ২১ লাখ টন গম ব্যবহার হয়। এবার ব্যবহারের পরিমাণ ১ লাখ টন কমে ২০ লাখ টনে নামতে পারে। এর প্রধান কারণ দেশটিতে এবার ভুট্টার আবাদ বেড়েছে।

ইউএসডিএর তথ্য অনুযায়ী, এবার দেশটির ৩৯ লাখ হেক্টর জমি থেকে ভুট্টা সংগ্রহ সম্ভব হবে। এমনকি দেশটির বেশকিছু কৃষক ধানের চেয়ে ভুট্টা আবাদে অধিক আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। আবাদ বাড়ায় কৃষিপণ্যটির মোট উৎপাদনও বাড়বে। দেশটিতে এবার মোট ১ কোটি ২৭ লাখ টন ভুট্টা উৎপাদন হতে পারে।